Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

তৃণমূলের মারে জখম দলেরই উপপ্রধান! পূর্ব বর্ধমানের ঘটনায় ফের প্রকাশ্যে ঘাসফুলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

Loading... রাজ্য
তৃণমূলের মারে জখম দলেরই উপপ্রধান! পূর্ব বর্ধমানের ঘটনায় ফের প্রকাশ্যে ঘাসফুলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব
#news #politics #TMC #BJP #Mamata Banerjee #East Burdawan #conflict #West Bengal #India #Fight সংবাদ #রাজনীতি

গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যেন মিটেও মিটছেনা ঘাসফুলে। নিজের দলের লোকের হাতে মার খেয়েই জখম তৃণমূল দলের এক উপপ্রধান! পূর্ব বর্ধমানের গলসির ঘটনায় চাঞ্চল্য। রবিবার সন্ধ্যায় এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন গলসির গোহগ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিমল ভক্ত। দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এভাবে প্রকাশ্যে চলে আসায় স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষুব্ধ হয়ছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। শান্তি ফিরেও যেন ফিরছেনা। এদিক ওদিক থেকে কাদা লেগেই যাচ্ছে সাদা চাদরে। 


গলসির গোহগ্রাম পঞ্চায়েতের রশি রয়েছে তৃণমূলের হাতে। এই পঞ্চায়েতের প্রধান রিঙ্কু ঘোষ। উপপ্রধান বিমল ভক্ত। বেশ কিছুদিন ধরেই প্রধানের সঙ্গে উপপ্রধানের দ্বন্দ্বের চোরাস্রোত বইছিল। বিবাদ চরমে ওঠে দিন কয়েক আগে। সেদিন রিঙ্কু বলেছিলেন, দল চালাতে গেলে টাকা লাগে। এরই প্রতিবাদ করেছিলেন বিমল। ওই ঘটনার পর থেকে প্রধান বনাম উপপ্রধানের দ্বন্দ্ব বেআব্রু হয়ে পড়ে।

{link} 
ফি বছর একুশে জুলাই দিনটি শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে তৃণমূল। এবারও হবে, তবে ভার্চুয়ালি। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় তারই প্রচার সেরে বাড়ি ফিরছিলেন বিমল। অভিযোগ, ওই সময় আচমকাই তৃণমূল নেতা মৃত্যুঞ্জয় ঘোষ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বেশ কয়েকজন তাঁর ওপর চড়াও হয়। তাঁকে রাস্তা থেকে ঠেলে বাঁধের নীচে ফেলে দেওয়া হয়। হাতের কাছে থাকা একটি গাছের ডাল ভেঙে বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে। খুনের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ওই রাতেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিমল। তিনি বলেন, পঞ্চায়েতের দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় আমাকে মারধর করা হয়েছে। গাছের ডাল ভেঙে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতারা। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতৃত্বও।


কিন্তু কথা হচ্ছে শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় কি? উত্তর অবশ্যই না। যা হওয়ার হয়ে গেছে এবং এর উপরন্ত তা উঠে এসেছে সকলের সামনে। একুশের নির্বাচনের পূর্বে একাধিক নেতা দলবদল করলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞের একাংশ মনে করেন এবার হয়ত গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মুক্ত হল তৃণমূল। কিন্তু বাস্তবে যে তা হয়নি, তাই একের পর এক সামনে উঠে আসতে থাকা ঘটনা প্রমান করে দিচ্ছে। যে কারনে মুখ পুড়ছে রাজ্য তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের। 

সর্বশেষ আপডেট: