কয়েক দিন আগেই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রের পরিচিত রাজনৈতিক মুখ সুস্মিতা দেব। যেহেতু তিনি বহু পরিচিত রাজনৈতিক মুখ এবং তার পরিচয় অনুযাই তিনি তার যোগ্য গুরুত্বপূর্ন কি পদ তৃণমূলে পান সেটা দেখার একটা বিষয় ছিল। কিন্তু সম্ভবত এবার অনেকটাই পরিস্কার হয়ে আসছে চিত্রটা।
সম্ভবত মানস ভুঁইয়ার ছেড়ে আসা জুতোয় পা গলাচ্ছেন কংগ্রেস থেকে আসা সুস্মিতা দেব! তাঁকেই রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পুরস্কার পেলেন প্রয়াত কংগ্রেস নেতা সন্তোষমোহন দেবের কন্যা।
মাসখানেক আগেই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন সুস্মিতা। গান্ধি পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন অসমের এই নেত্রী। পিতার মৃত্যুর পর অসমে কংগ্রেসের সংগঠন পোক্ত করার দায়িত্ব ছিল তাঁর ঘাড়ে। পরে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন সুস্মিতা। তখনই শোনা যাচ্ছিল দলবদলের পুরস্কার পাবেন সুস্মিতা। তবে সেটা যে এত তাড়াতাড়ি, তা জানতেন না তৃণমূল কর্মীরাও।
{link}
সুস্মিতাকে সামনে রেখে শিলচরের পাশাপাশি ত্রিপুরায়ও সংগঠন বিস্তারের পরিকল্পনা করেছেন তৃণমূল নেতারা। সেই মতো ত্রিপুরার মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন তিনি। দলের তরফে ত্রিপুরায় নানা কর্মসূচি পালনও করছেন সুস্মিতা। এ রাজ্যের বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতাও মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন সেখানে। বাঙালি অধ্যুষিত উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে তৃণমূল সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও নানা সময়ে জানিয়েছেন সুস্মিতা।
এহেন সুস্মিতাকে রাজ্যসভায় মানস ভুঁইয়ার ছেড়ে যাওয়া আসনে পাঠাচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ২০২৩ সালের ২রা এপ্রিল পর্যন্ত তিনি ওই পদে থাকবেন। টুইট করে এ কথা জানিয়েছে দল। ৪ঠা অক্টোবর রাজ্যসভার ভোট। সেদিনই সুস্মিতা যাচ্ছেন রাজ্যসভায়। এদিন সুস্মিতা বলেন, আদর্শ নিয়ে সংসদে সোচ্চার হওয়াই লক্ষ্য হবে আমার। দিদিকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
একথা বর্তমানে স্পষ্ট যে রাজ্য বিপুল ভোটে জয়লাভ করার পর পার্শব্বর্তী বেশ কয়েকটি রাজ্য জয়ের খুঁটি সাজাচ্ছে ঘাসফুল শিবির। এর পাশাপাশি দলের শক্তিবৃদ্ধিও করছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাফল্যতা আসবে কি?
