ফের ইস্তফা রাজ্য রাজনীতিতে। উল্লেখযোগ্যভাবে ফের বাড়ছে রাজ্য রাজনীতির উত্তাপ। রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়েছেন তৃণমূলের অর্পিতা ঘোষ। কারণ হিসেবে তিনি সংগঠন করতে পারছেন না বলে দলকে জানিয়েছেন। তবে আসল কারণ ফাঁস করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, বহিরাগত তত্ত্বের জেরেই সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়েছেন অর্পিতা।
বুধবার, আচমকাই সাংসদ পদে ইস্তফা দেন নাট্য ব্যক্তিত্ব অর্পিতা। তার পরেই শুরু হয় নানা জল্পনা। তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায় ফোন করেন অর্পিতাকে। যদিও অর্পিতা ফোন ধরেননি বলে অভিযোগ। অর্পিতার পদত্যাগের ব্যাপারে তৃণমূলের তরফে সক্রিয় রাজনীতি করতে না পারার ব্যাখ্যা দেওয়া হলেও, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ খাড়া করেছেন বহিরাগত তত্ত্ব। তিনি বলেন, বাইরের রাজ্য থেকে নতুন লোককে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তাই ইস্তফা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, অর্পিতা ঘোষের জায়গায় নতুন লোককে পাঠানো হচ্ছে। অর্পিতা দলকে অনেক কিছুই দিয়েছেন। তিনি সাংসদ, জেলা প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। রাজ্যসভায়ও ছিলেন। এবার তাঁর জায়গায় নতুন লোককে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
{link}
মাসখানেক আগে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন প্রয়াত কংগ্রেস নেতা সন্তোষমোহন দেবের মেয়ে সুস্মিতা দেব। তার পরেই তাঁকে রাজ্যসভায় মনোনয়ন দেয় তৃণমূল। মানস ভুঁইয়ার ছেড়ে আসা আসনেই প্রার্থী হচ্ছেন তিনি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি এটাকেই কটাক্ষ করেছেন।
ত্রিপুরায় তৃণমূলের আন্দোলনেও বহিরাগত তত্ত্ব খাড়া করেছিলেন দিলীপ। তিনি বলেছিলেন, এ রাজ্য থেকে লোক নিয়ে গিয়ে আন্দোলন করা হচ্ছে ত্রিপুরায়। সেখানে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সদস্যদের। পরে সেখানে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবাংশু ভট্টাচার্যদের। গেরুয়া নেতৃত্ব সেদিকেই ইঙ্গিত করেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। যার ফলে এই প্রসঙ্গকে কেন্দ্র করেও বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। এখন ভবিষ্যতে তিনি কি পদক্ষেপ গ্রহন করেন সেই দিকেও লক্ষ্য থাকবে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।
