গত ১৫ই সেপ্টেম্বর আচমকাই রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অর্পিতা ঘোষ। কারন হিসেবে তিনি জানিয়েছিলেন রাজনীতির কারনে নাট্যমঞ্চে তিনি সময় দিতে ব্যার্থ হচ্ছেন। সেই অর্পিতা ঘোষের শুন্য চেয়ারেই এবার গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরো কে মনোনীত করল রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস। আজ সকালেই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই কথা টুইটের মাধ্যমে ঘোষনা করা হয়েছে। গোয়া নিয়ে শনিবারই আলোচনায় বসতে চলেছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সূত্র মারফত পাওয়া খবর অনুযাই যার জন্য ইতিমধ্যেই কলকাতায় পৌঁছেছেন ফেলেইরো।
{link}
টুইটারে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, “অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে আমরা জানাচ্ছি যে লুইজিনহো ফ্যালেইরোকে সংসদের উচ্চকক্ষে মনোনীত করা হল। সাধারণের জন্য তাঁর কাজ সর্বত্র প্রশংসিত হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।” শোনা যাচ্ছে, তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে আগামী মঙ্গলবারই মনোনয়ন জমা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে গোয়ার এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের।
{link}
সামনের বছরেই গোয়ার বিধানসভা ভোটে লড়বে তৃণমূল। তার জন্য ইতিমধ্যেই ঘুঁটি সাজাতে শুরু করে দিয়েছে বঙ্গের শাসকদল। দলে নেওয়া হয়েছে একাধিক তারকাকে। সই করেছেন লিয়েন্ডার পেজ-এর মতো ভারতবর্ষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ টেনিস তারকা। যা ইতিমধ্যেই তৃণমূল শিবিরকে শক্ত জমি প্রদান করেছে গোয়ায়। আর এবার সেখানে সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে সাতবারের বিধায়ক ফ্যালেইরোকে রাজ্যসভার সাংসদ পদে মনোনীত করার মক্ষম চাল চালল ঘাসফুল শিবির। এমনটাই মনে করছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।
অর্পিতার সেই ছেড়ে যাওয়া আসনে উপনির্বাচন হবে ২৯ নভেম্বর। যদিও, বাংলায় আদৌ এই উপনির্বাচনের প্রয়োজন পড়বে কিনা তা নিয়ে সংশয় আছে। কারণ, গত দুটি রাজ্যসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিরোধীরা প্রার্থী না দেওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। রাজ্য জুড়ে এখন শুধুই দাপট রয়েছে ঘাসফুল শিবিরের, সেই দাপট আসন্ন সময়ে গোয়াতেও চোখে পড়বে কি?
