নিজস্ব সংবাদদাতাঃ গোয়ায় ক্রমশ আরও করুন অবস্থা হচ্ছে তৃণমূলের! যেভাবে হু হু করে শক্তিবৃদ্ধি হয়েছিল সেহেন দ্রুতগতিতেই এবার শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। তাই কি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বর্ষীয়ান নেতা কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে আসা লুইজিনহো ফেলেইরো? অন্ততঃ এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, গোয়ায় ধরাশায়ী হবে তৃণমূল। বিপর্যয় আঁচ করে আগাম রণে ভঙ্গ দিলেন প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা লুইজিনহো। যার ফলে গোয়ায় কার্যত এখন বিশ বাঁও জলে তৃণমূলের সংগঠন।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনাদেশ নিয়ে বাংলার ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। তার পরেই গোটা দেশে সংগঠন বিস্তারে নজর দেন জোড়াফুল নেতৃত্ব। সেই মতো ত্রিপুরা, মেঘালয়ের পাশাপাশি আরব সাগরের তীরের ছোট্ট রাজ্য গোয়ার দিকে নজর দেন তাঁরা। কংগ্রেস ভাঙিয়ে সেখানে দ্রুত সংগঠনও গড়ে তোলে তৃণমূল। মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন একাধিক তৃণমূল নেতা। ইতিমধ্যেই গোয়া থেকে কলকাতায় উড়ে এসে জোড়াফুল আঁকা পতাকা হাতে তুলে নেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা গোয়ার সাতবারের বিধায়ক কংগ্রেসের লুইজিনহো। তাঁকে দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতির পদ দেওয়া হয়। অর্পিতা ঘোষের আসনে রাজ্যসভায় পাঠানোও হয় লুইজিনহোকে।
{link}
দেশের আরও চার রাজ্যের সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হবে গোয়ায়ও। সেখানে ভোট হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। ওই ভোটে ফাতোর্দা থেকে প্রার্থী হওয়ার জন্য নাম ঘোষণা করা হয়েছিল লুইজিনহোর। তবে ওই কেন্দ্রে তিনি দাঁড়াবেন না বলে দলীয় নেতৃত্বকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বর্ষীয়ান এই নেতা। সেই মতো তৃণমূল নেতৃত্বও তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন। ওই কেন্দ্রে তরুণ তুর্কি এক মহিলাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব দেন লুইজিনহো। সেই মতো ওই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় শিউলা আভিলিয়া ভাস। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দল মুখ থুবড়ে পড়বে বুঝেই সরে দাঁড়ালেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। শেষ পর্যন্ত গোয়ায় জয়ের ফুল ফোঁটানোর স্বপ্ন কি অধরাই রয়ে যাবে তৃণমূলের?
{ads}