বর্তমানে রাজ্যের বুকে রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত নাম তথাগত রায়। কারন, রাজ্য রাজনীতিতে নিজ দলের বিরুদ্ধে এহেন বিষোদ্গার করতে কাউকে খুব একটা করতে দেখা যায় না। সেই কাজ টিই প্রক্যাশ্যে সদর্পে নিজ দল বিজেপির বিরুদ্ধে করে আসছেন তিন। তাহলে কি বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর পিঠ চাপড়েই বিজেপির ক্ষমতায় ফিরতে চাইছেন বর্ষীয়ান গেরুয়া নেতা তথাগত রায়? আপাতত এই প্রশ্নটাই ঘোরাফেরা করছে গেরুয়া অন্দরে। গেরুয়ার এই অংশের মতে, তথাগত যেভাবে বিভিন্ন সময়ে শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন, ঠিক ততটাই দিলীপ ঘোষ সহ বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে মুখ থুবড়ে পড়ে বিজেপি। যার জেরে পূরণ হয়নি বঙ্গবিজয়ের স্বপ্ন। অথচ বঙ্গজয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে কিই না করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব! তার পরেও জয় হয়নি বাংলা। ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ভোটে লড়লেও, মাত্র ৭৭টি আসন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় গেরুয়া শিবিরকে। এর পরেই দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে টুইট-বাণ নিক্ষেপ করেন তথাগত।
তার পরেও অবশ্য বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা নেই বঙ্গ বিজেপি নেতাদের। অন্য কোনও শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতাও তাঁদের নেই। বিজেপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এই ক্ষমতা রয়েছে একমাত্র কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। তাই তিনি নানা সময় নানান মন্তব্য করছেন।
{link}
বিএসএফের কাজের পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে বিধানসভার আলোচনায় অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করেছিলেন দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহ।এর প্রতিবাদ করেন শুভেন্দু। এই প্রসঙ্গেই তথাগত বলেন, পেরেকের ঠিক জায়গায় ঘা মেরেছেন শুভেন্দু! নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজেপির ওই নেতার কথায়, শুভেন্দুর পিঠ চাপড়ে দলে কোনও পদ পেতেই বিজেপিকে আক্রমণ তথাগতের। কিন্তু রাজ্য বিজেপিতে নেতারা যেভাবে তার বিরুদ্ধে চটেছেন তার ভবিষ্যত কিন্তু এখন রাজ্যে শঙ্কাজনক অবস্থায়।
