গত কয়েক দিন ধরেই ত্রিপুরায় প্রকাশ্যে আসছে আইপ্যাক ঘিরে বিভিন্ন খবর। ত্রিপুরাতে আটকে রাখা হয়েছে আইপ্যাকের সদস্যদের। টিম পিকের এবার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ত্রিপুরা পুলিশের। গত তিন দিন ধরে আগরতলার একটি হোটেলে আটক রয়েছেন ওই টিমের ২৩ জন সদস্য। তাঁদের বিরুদ্ধেই দায়ের হয়েছে মামলা। অভিযোগ, বিজেপি-শাসিত রাজ্যে তৃণমূল যাতে দাঁত ফোটাতে না পারে, সেই জন্যই কৌশলে মামলা দায়ের ত্রিপুরা পুলিশের।
বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরায় ঘাসফুল ফোটাতে মরিয়া তৃণমূল নেতৃত্ব। সেজন্য ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বের। সেই মতো আইপ্যাকের ২৩ জন কর্মী ত্রিপুরা গিয়েছেন সপ্তাহখানেক আগে। রয়েছেন আগরতলার একটি হোটেলে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলছেন আইপ্যাকের কর্মীরা। অভিযোগ, সেখানেই জিজ্ঞাসাবাদের নামে আটকে রাখা হয়েছে তাঁদের তিন দিন ধরে। পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আজ, বুধবার তিন সদস্যের দল গিয়েছে আগরতলায়। ঘাসফুল শিবির সূত্রে খবর, আইপ্যাকের কর্মীদের মুক্ত করার পাশাপাশি দলীয় সংগঠন চাঙা করতে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে কথাও বলবেন তৃণমূলের ওই নেতারা।
{link}
আইপ্যাক কর্মীদের আটকে রাখার কারণ হিসেবে প্রথমে ত্রিপুরা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, বহিরাগতরা রাজ্যে প্রবেশ করায় করোনা আবহে সবাইকে আরটি-পিসিআর টেস্ট করানো হবে। প্রত্যেকেরই আরটি-পিসিআর টেস্টের রিপোর্ট আসে নেগেটিভ। তার পরেও তাঁদের ছাড়া হয়নি বলে অভিযোগ। এদিন তাঁদের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে। এদিনই আগরতলা গিয়েছেন তৃণমূলের তিন নেতা। তাঁদেরও বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর। তৃণমূলের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের আসন টলোমলো। সেই সুযোগে সেখানে ঘাসফুল ফোটাতে চাইছে দল। তাদের আটকাতেই যাবতীয় মামলা মোকদ্দমা বিজেপির।
একথা স্পষ্ট যে পড়শি রাজ্যে তৃণমূলের বড়ো জয় আসায় একটা ভয় ধরেছে ত্রিপুরার বিজেপি শিবিরে। সেইভাবে দেখতে গেলে তৃণমূলও বিজেপির ত্রিপুরার গড় ভাঙতে বদ্ধপরিকর তৃনমূল। সেইটা কোনভাবেই হতে দিতে চাইছেন না তারা।

