জয়ের লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর, ফের ত্রিপুরা অভিযানে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল! আজ, শুক্রবার আবারও ত্রিপুরা যাচ্ছেন তৃণমূলের বেশ কয়েকজন নেতানেত্রী। আবার একইভাবে এদিনই ত্রিপুরা জুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা প্রয়োগ, শান্ত ত্রিপুরাকে অশান্ত করার চেষ্টা সহ তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ওই কর্মসূচির ডাক দিয়েছে গেরুয়া শিবির। তার মধ্যেই তৃণমূলের ‘ত্রিপুরা অভিযানে’সিঁদুরে মেঘ দেখছে রাজনৈতিক মহল। যার ফলে বর্তমানে ত্রিপুরার রাজনৈতিক লড়াই যে দুই ফুলের জমে উঠেছে এ কথা স্পষ্ট।
{link}
বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরেছে তৃণমূল। আশাতীত সাফল্য মেলায় এবার তৃণমূলের লক্ষ্য দেশের অন্যান্য প্রদেশেও শাখা বিস্তার করা। সেই মতো তৃণমূল নেতৃত্ব প্রথমেই নজর দেন বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরায়। সেখানেই ইতিমধ্যেই নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তৃণমূল। সংগঠন বিস্তারের কাজে ত্রিপুরা গিয়ে জখম হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা সুদীপ রাহা এবং জয়া দত্ত। এর পরেই ত্রিপুরায় আরও বেশি করে নজর দিচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। চলতি বছর ১৬ অগষ্ট এ রাজ্যের মতো ত্রিপুরায়ও খেলা হবে দিবস পালন করার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তৃণমূল। সেই মতো দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে পড়শি এ রাজ্যে এদিন যাচ্ছেন তৃণমূলের ৮ সাংসদ। তাঁদের সঙ্গে থাকবেন এ রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও।
{link}
এদিনই বেলার দিকে আগরতলা পৌঁছবেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অর্পিতা ঘোষ, অপরূপা পোদ্দার, প্রতিমা মণ্ডল, আবু তাহের, আবিররঞ্জন বিশ্বাস। আগে থেকেই আগরতলায় রয়েছেন সাংসদ শান্তনু সেন ও মন্ত্রী মলয় ঘটক। এদিনই বিক্ষোভ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ত্রিপুরা বিজেপি। এমতাবস্থায় এদিনই সেখানে হাজির হচ্ছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। স্বাভাবিকভাবেই অশান্তির আশঙ্কায় কাঁটা ত্রিপুরাবাসী। এবং রাজনৈতিক উত্তাপও যে অনেকটাই বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে সেই কথাও অনস্বীকার্য। কি পরিস্থিতি দাঁড়ায় সেই দুশ্চিন্তাতেই পড়েছে ত্রিপুরাবাসী।
.jpeg)
