আজ কার্যত ত্রিপুরায় নয়া প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নতুন লড়াই শাসক শিবির বিজেপির। সেই প্রতিপক্ষ যে খুব দুর্বল প্রতিপক্ষ, তা একেবারের বলা চলে না। কারন আগরতলা পুরসভা দখলে মরিয়া প্রতিপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস। মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন এ রাজ্য থেকে ত্রিপুরায় যাওয়া নেতারা। রাজ্যসভার সাংসদ তৃণমূলের সুস্মিতা দেবও ঘাঁটি গেড়ে বসে রয়েছেন ত্রিপুরায়। ২০টি পুরসভার ২২২ আসনে চলছে ভোট গ্রহণ। এর মধ্যে রয়েছে আগরতলা পুরসভার ৫১টি আসনও। প্রতিটি বুথকেই স্পর্শকাতর ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এদিন ভোট গ্রহণ হলেও, গণনা এবং ফল প্রকাশ হবে শনিবার।
{link}
পাহাড়ি এই ছোট্ট রাজ্যে ৮টি জেলা। পুরসভার মোট আসন সংখ্যা ৩৩৮। এর মধ্যে ১১২টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে বিজেপি। বাকি ২০টি পুরসভার ২২২ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ। বর্তমানে রাজ্যের সাতটি পুরসভার রাশ রয়েছে বিজেপির হাতে। যার ফলে অনেকটা শক্তিশালী ভাবেই ময়দানে এগিয়ে রয়েছে পদ্মের শিবির।
রাজ্যে মোট বুথ রয়েছে ৬৪৪টি। ভোট দেবেন ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ৪১ জন। কমিশন সূত্রে খবর, সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। চলবে বিকেল ৪টে পর্যন্ত। আগরতলা পুরসভা, ১৩টি পুর পরিষদ এবং ৬টি নগর পঞ্চায়েতে চলছে ভোট গ্রহণ। আগরতলার ৩৭০টি বুথ অতি স্পর্শকাতর। স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ২৭৪টি। অশান্তি এড়াতে বুথে বুথে মোতায়েন করা হয়েছে সিআরপিএফ ও ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস বাহিনী। রাজধানী আগরতলার প্রতিটি বুথে থাকবেন ৫ জন করে সশস্ত্র জওয়ান।
{link}
এবার ত্রিপুরার ভোট পর্বের দিকে নজর রয়েছে গোটা উত্তর পূর্বের। এবারই প্রথম আগরতলা পুরসভার সবকটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। এর মধ্যে একটা অংশ আবার মহিলা। জয়ের আশায় নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে লড়াইয়ে ঝাঁপিয়েও পড়েছেন তারা। এখন দেখার, আগরতলা পুরসভায় জোড়াফুল আঁকা নিশান ওড়ে, নাকি দাপট বজায় থাকে শাসক শিবির অর্থাৎ বিপ্লব দেবের সরকারের। লড়াই কিন্তু হচ্ছে সেয়ানে সেয়ানে।
