Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

মার্চ মাসের ৭ তারিখে রাজ্যের একমাত্র লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা

Loading... রাজ্য
মার্চ মাসের ৭ তারিখে রাজ্যের একমাত্র লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা
#news #politics #election #re election #Lok Sabha #TMC #BJP #CPIM #Congress #West Bengal #India #রাজনীতি #নির্বাচন #সংবাদ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ফের নির্বাচনী বদ্যি বাজার সম্ভাবনা রাজ্যে। মার্চ মাসের ৭ তারিখে হতে পারে রাজ্যের একমাত্র লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। এর পাশাপাশি এদিনই হতে পারে বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনও। জাতীয় নির্বাচন কমিশন চাইছে মার্চের প্রথম দু সপ্তাহের মধ্যেই ওই দুই কেন্দ্রের ভোট সেরে নিতে। যার ফলে এখনও বেশ কয়েকদিন রাজ্যে বজায় থাকার সম্ভাবনা নির্বাচনী আবহের।

{link}
সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের অকাল প্রয়াণে খালি হয় বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রটি। আর আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রটি ফাঁকা হয় বিজেপির টিকিটে জেতা বাবুল সুপ্রিয় তৃণমূলে যোগ দেওয়ায়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় দু দফায় উপনির্বাচন হয়েছে। এর মধ্যে একটি হল ভবানীপুর। নন্দীগ্রামে হারের পর এই কেন্দ্রে জয়ী হন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা পুরসভার নির্বাচনও হয়েছে। চলতি মাসের ২২ তারিখে হওয়ার কথা ছিল আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর ও চন্দননগর পুরসভার নির্বাচন। করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জন্য এই নির্বাচনই পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে তিন সপ্তাহ। সেই কারণে ভোট হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। কলকাতা সহ রাজ্যের পাঁচ পুরসভার নির্বাচনের পরেও প্রায় ১০৭টি পুরসভার নির্বাচন বাকি থাকছে। ওই পুরসভাগুলির নির্বাচনও ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে করার কথা জানিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

{link}
বালিগঞ্জ ও আসানসোল কেন্দ্র দুটির রাশ পেতে মরিয়া তৃণমূল। বালিগঞ্জের রাশ ছিল তৃণমূলের হাতে। বালিগঞ্জে জয়ী হয়েছিলেন সুব্রত। আর আসানসোলের রশি ছিল বিজেপির হাতে। পদ্ম-চিহ্নে প্রার্থী হয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। তিনিও বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। এই কেন্দ্রে তৃণমূলকে হারাতে মরিয়া বিজেপি। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলের খাতায় নাম লিখিয়েছেন বাবুল। তাঁকে জবাব দিতে ঘর গুছোচ্ছে বিজেপি। রাজ্যে একাধিক জেলায় পুরসভা নির্বাচন ঘোষনা হলেও করোনা পরিস্থিতির জন্য তা পিছিয়েছে। তার উপরেই এহেন সময় ফের উপনির্বাচনের সম্ভাবনা। ব্যাস্ততার সময় যেন থামতেই চাইছেনা রাজ্যের রাজনৈতিক দলের কর্মীদের। 

সর্বশেষ আপডেট: