রাজ্যের বিরোধী শিবিরের দায়িত্ব যথাযোগ্যভাবে পালক করছে বিজেপি। রাজ্যজুড়ে যে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তার ফলে সাধারণ মানুষের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা ঠিক কতখানি? এই নিয়েই প্রশ্ন তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন রাজ্যজুড়ে যে ভয়ানক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে খানাকুল দাস নগর আমতা ঘাটাল সমস্ত জায়গায় মানুষের অবস্থা ভয়াবহ। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী সেখানে কি করছেন। সেখানে গিয়ে জলে দাঁড়িয়ে শুধুমাত্র ছবি তুলে চলে আসছেন । দ্বিতীয়বার ভোটে জেতার পর ১০ বছর ধরে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে আছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য কি কাজ করেছেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দিলীপ ঘোষ।
{link}
এর পাশাপাশি তিনি মন্তব্য করেন কেন্দ্র থেকে যে টাকা রাজ্য সরকার পায় সেই টাকা কোন কাজে লাগানো হয়? বরং সেই টাকা প্রশান্ত কিশোর কে দিয়ে খরচা করে ভোটে জিতেছে তৃণমূল সরকার। তাতে সাধারণ মানুষের কোনো লাভ হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে বন্যাকবলিত এলাকা গুলো বছরের পর বছর বন্যায় ভেসে যাচ্ছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জন্য কিছুই করছে না। অন্যদিকে এদিন তিনি সাংসদ দেব কেও একহাত নেন। তিনি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এবং এতদিন ধরে কিছু করতে পারলেন না আর এখন দেব জানাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী হলে ঘাটালের জন্য উন্নতি করবেন। যা খুবই হাস্যকর।
{link}
পরবর্তী বিজেপির রাজ্য সভাপতি কে হবেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানারকম নাম উঠতে শুরু করেছে। আজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তা নিয়ে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন তিনি এখনো পর্যন্ত বিজেপি রাজ্য সভাপতি। ২০২২ পর্যন্ত তিনি বিজেপি রাজ্য সভাপতি পদে আছেন। পরবর্তী সময়ে কে হবেন তা নিয়ে দল ঠিক করবে। তবে দলের কথার উপরে কোন কথা নাই। তিনি জানিয়েছেন অন্যদিকে কোন দল কার সাথে বৈঠক করছে তা নিয়ে বিজেপির বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। প্রত্যেকেই নিজের ভবিষ্যৎ ঠিক করতে চায়। অন্যদিকে কৃষক আন্দোলনে তিনি জানিয়েছেন এটি একটি নাটক মাত্র এবং পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন আজকে তিনি বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা যেমন খানাকুল দাস নগর আমতা জায়গা পরিদর্শন করতে যাবেন। মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার লক্ষ্য।
{link}
উল্লেখযোগ্যভাবে এবারে বিজেপি নিজের ক্ষমতায় আসার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি করেছিল একুশের বিধানসভা নির্বাচনে। কিন্তু তারপর শেষ পর্যন্ত পরাজিত হতে হয়। পরাজিত হওয়ার পরেই অধিকাংশ বিজেপি নেতৃত্বকে আর দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল না সামনা সামনি। এবার আবার ধীরে ধীরে তারা ফিরতে শুরু করেছেন কাজে। সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন মানুষের দিকে।
