একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের লক্ষ্য দেশের ছোটো ছোটো রাজ্যে সংগঠন বিস্তার করা। সেই লক্ষ্যেই কিছুদিন আগেই সফল হয়েছে ত্রিপুরা মিশন। তারপর থেকেই গোয়ায় চোখ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এরপরেই গোয়া দখলে আর ও একধাপ এগোল তৃণমূল! সেখানকার এক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোড়াফুল শিবিরের কথাবার্তা প্রায় পাকা বলে তৃণমূল সূত্রে খবর। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে তৃণমূল নেত্রীর গোয়া সফরের সময়ই চূড়ান্ত হতে পারে চুক্তি।
{link}
তৃতীয়বারের জন্য বাংলার কুর্সিতে বসে গোটা দেশে সংগঠন বিস্তারের সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তর পূর্বের ছোটো ছোটো রাজ্যের পাশাপাশি আরব সাগরের তীরের এই ছোটো রাজ্যটিকেও টার্গেট করে তৃণমূল। তার জেরে উত্তর পূর্বের ত্রিপুরার পাশাপাশি গোয়ায়ও মজবুত সংগঠন গড়ে তুলেছে তৃণমূল। দিন কয়েক আগে কংগ্রেস ছেড়ে কলকাতায় এসে হাতে তৃণমূলের ঝান্ডা তুলে নিয়েছিলেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা লুইজিনহো ফ্যালেইরো। তার পরে একের পর এক কংগ্রেস নেতা যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে।
{link]
চলতি মাসের ২৮ তারিখে গোয়া উড়ে যাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংগঠনের কাজ কতদূর এগোল, তা দেখতেই গোয়া যাচ্ছেন তিনি। তৃণমূল সূত্রে খবর, মমতা যেদিন গোয়া যাচ্ছেন, সেদিনই বিজেপির এক বিধায়ক যোগ দিতে পারেন তৃণমূলে। কংগ্রেসের একজন এবং এক নির্দল বিধায়কও হাতে তুলে নিতে পারেন তৃণমূলের ঝান্ডা।
এদিকে গোয়ার এক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার চেষ্টা করছে তৃণমূল। ফরওয়ার্ড পার্টি নামের এই দলটি ২০১৭ সালে গোয়ায় বিজেপির জোট সরকারে যোগ দেয়। ২০১৭ সালের ১৪ মার্চ পর্যন্ত ফতোরদার বিধায়ক বিজয় সরদেশাই ওই সরকারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এই ফরওয়ার্ড পার্টির সঙ্গেই নির্বাচনী সমঝোতার আলোচনা চলছে তৃণমূলের। তৃণমূল সূত্রে খবর, তৃণমূল নেত্রীর উপস্থিতিতেই রফা হতে পারে সমঝোতা।
{link}
২০২২ এ বিজেপি শাসিত গোয়ায় হতে চলেছে বিধানসভা নির্বাচন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অক্টোবর গোয়ায় বিজেপিকে পরাজিত করতে সমস্ত দল, সংগঠন এবং ব্যক্তিকে শক্তিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।মমতা ব্যানার্জি ২ অক্টোবর তার পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য সফরের কথাও ঘোষণা করেছিলেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যদি ফরওয়ার্ড পার্টির সঙ্গে তৃণমূলের জোট হয়, তাহলে তৃণমূলের গোয়া জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।
.jpeg)
