তৃণমূল কর্মী খুনে গ্রেফতার তৃণমূলেরই পাঁচজনকে গ্রেফতার পুলিশের! শুক্রবার রাতে গুলি করে খুন হয় খড়দহের তৃণমূল কর্মী রণজয় শ্রীবাস্তব। তিনি প্রয়াত বিধায়ক কাজল সিনহার ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
{link}
স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে নিজের গাড়ি করে ব্যারাকপুর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন রণজয়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বন্ধু সনু সিং। খড়দহ বাগদি পাড়া এলাকায় তাঁদের গাড়ি ঘিরে ধরে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী। গাড়ি লক্ষ্য করে প্রথমে বোমাবাজি করে দুষ্কৃতীরা। ভয়ে পালিয়ে যান সনু। গাড়ি থেকে বেরতে পারেননি রণজয়। এর পরেই দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। গুলি লাগে তাঁর গায়ে। বোমা-গুলির আওয়াজে প্রথমে হকচকিয়ে গেলেও, পরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয়রা। তার আগেই অবশ্য চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রণজয়কে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে। পরে স্থানান্তরিত করা হয় কলকাতার একটি নার্সিংহোমে। পথেই মৃত্যু হয় ওই তৃণমূল কর্মীর।
যদিও তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির আক্রমণেই খুন হয়েছেন খড়দহের তৃণমূল কর্মী রণজয় শ্রীবাস্তব। তবে তৃণমূলের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।
{link}
ঘটনায় রনজয়ের পরিবার সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খোলেননি। তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেফতার করে মহম্মদ জাভেদ, মহম্মদ সাহিল হোসেন, মোসেল খান, জাহিদ হোসেন, বিনোদ মল্লিক এবং জুয়েলকুমার মল্লিককে। এরা সকলেই এলাকায় তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। এ থেকেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব মান্যতা পাচ্ছে বলে বিজেপির দাবি। যদিও তৃণমূলের অভিযোগ, ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে বিজপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।
