রাজ্যে একের পর এক প্রশাসনিক বৈঠক করে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় সকল বৈঠকেই নিচ্ছেন একের পর এক সিদ্ধান্তও। এবার নির্মাণ শিল্প শ্রমিকদের সংগঠিত করার উদ্যোগ মুখ্যমন্ত্রীর। গতকাল মুর্শিদাবাদের অসংগঠিত শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে উপার্জন বৃদ্ধির ব্যবস্থা করার পরামর্শ দেন তিনি। বুধবার মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক পর্যায়ের বৈঠক ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেই বৈঠকেই এই পরামর্শ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
{link}
এদিনের বৈঠকে তৃণমূলের এক নেতা মমতাকে বলেন, আমাদের জেলার নির্মণ শিল্পীরা দেশ-বিদেশে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। ওঁদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট করে শংসাপত্র দিলে অসংগঠিত ক্ষেত্র থেকে সংগঠিত ক্ষেত্রে আসতে পারবেন তাঁরা। বাড়বে উপার্জন। মুর্শিদাবাদ জেলার অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। দলীয় কর্মীর ওই প্রস্তাব ততক্ষণাৎ লুফে নেন মমতা। বলেন, খুব ভালো প্রস্তাব। সরকারি আধিকারিকের কাছে জানতে চান, তোমাদের আইটিআই বা পলিটেকনিকে এটা চালু আছে কি না। তিনি জানান, উৎকর্ষ বাংলায় রাজ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ৭ জায়গায় আরও নাম এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, আরও বেশি করে প্রশিক্ষণ দিয়ে দাও। ওরা কিন্তু খুব এক্সপার্ট। বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে প্রশিক্ষণ শিবির হচ্ছে বলে জানান ওই অধিকারিক। তিনি বলেন, নির্মাণ শিল্পে এল অ্যান্ড টি থেকে শুরু করে নানা সংস্থা এগিয়ে এসেছে। এখানে তারা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। এখানে এমন ব্যবস্থাই করব।
{link}
মুর্শিদাবাদবাসীর একটা বড় অংশের মানুষ নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। এঁরা সুদক্ষ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এঁদের কদর রয়েছে। এঁদের অধিকাংশই কেরল সহ বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করে অর্থ উপর্জন করেন। প্রশিক্ষণ দিয়ে তাঁদের ‘তৈরি’ করে নিলে দক্ষতার সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে রোজগারও। স্বাভাবিকভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবে খুশি নির্মাণ শিল্পীরা। এখন এই উদ্যোগ কতদূর বাস্তবায়িত হয়, সেটিও দেখার বিষয়। তবে এহেন পদক্ষেপ যে পরবর্তীকালে ভবিষ্যতে বিপুল পরিবর্তন আনতে পারে একথা স্পষ্ট।
{ads}