ভবানীপুর সহ ২ কেন্দ্রের ভোটের ফল ঘোষণা হয়েছে গত ৩ অক্টোবর। বাকি আছে কোচবিহারের দিনহাটা, নদিয়ার শান্তিপুর, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা। শেষমেশ রাজ্যের চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করলেন বিজেপি নেতৃত্ব। এই চার কেন্দ্রের দখল নিতে ইতিমধ্যেই হাইপ্রোফাইল নির্বাচনী কমিটি তৈরি করা হয়েছে। এদিন দেশের কয়েকটি লোকসভা এবং বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা কেন্দ্রগুলির উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করেছেন গেরুয়া নেতৃত্ব।
{link}
রাজ্যের চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছে বেশ কয়েকদিন আগেই। সেদিনই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সময় নিচ্ছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। কারণ বিজেপির নয়া রাজ্য সভাপতি ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করেছিলেন। এর কারণও আছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়ে তৃণমূলে ভিড়েছেন চার বিধায়ক। এঁরা হলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের মুকুল রায়, বাগদার বিশ্বজিৎ দাস, বিষ্ণুপুরের তন্ময় ঘোষ এবং কালিয়াগঞ্জের সৌমেন রায়। রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী বিজেপি ছাড়লেও, বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত কোনও দলেই যোগ দেননি।
বিজেপির টিকিটে জিতে কেউ যাতে ভিন দলে চলে না যান, সেই জন্যই প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ধীরে চলো নীতি নিচ্ছিলেন পদ্ম নেতৃত্ব। খোঁজা হচ্ছিল হার্ডকোর বিজেপি নেতা-কর্মী। তাঁদের হদিশ মেলায় শেষমেশ ঘোষণা করা হল প্রার্থীদের নাম। কোচবিহারের দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে পদ্ম-প্রার্থী অশোক মণ্ডল, নদিয়ার শান্তিপুরে নিরঞ্জন বিশ্বাস, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে জয় সাহা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা কেন্দ্রে পলাশ রানা।
{link}
এই চার কেন্দ্রের মধ্যে দিনহাটা এবং শান্তিপুরের রাশ ছিল বিজেপির হাতে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ওই দুই কেন্দ্রেই জয়ী হয়েছিলেন পদ্ম প্রার্থীরা। দিনহাটায় জয়ী হয়েছিলেন নিশীথ প্রামাণিক। আর শান্তিপুরে জগন্নাথ সরকার। দুজনেই সাংসদ হওয়ায় বিধায়ক পদ গ্রহণ করেননি। সেই কারণেই হচ্ছে উপনির্বাচন। আর খড়দহ ও গোসাবা বিজয়ী প্রার্থীদের মৃত্যু হওয়া হচ্ছে অকাল ভোট।
{ads}