Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 14/05/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

বিজেপির পাশ থেকে সরে গেলেন অবাঙালিরাও?

Loading... রাজ্য
 বিজেপির পাশ থেকে সরে গেলেন অবাঙালিরাও?
#news #poltics #Priyank Tibrewal #Mamata banerjee #West Bengal #India

এবার কি তাহলে অবাঙ্গালিরাও সরে গেলেন বিজেপির পাশ থেকে? এমনতাই বোঝা যাচ্ছে ভবানীপুরের ভোটের গণনা দেখে। তাহলে কি ভরসা দিতে পারেননি গেরুয়া নেতৃত্ব? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে। এবার  তাই বিজেপির পাশ থেকে সরে গেলেন অবাঙালিরাও! অন্তত অবাঙালি অধ্যুষিত ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের ফল সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। যে ওয়ার্ডে এতদিন বিজেপিই লিড পেত, সেখানেই এবার দাঁও মারলেন তৃণমূল প্রার্থী। যার জেরে হতাশার নিকষ কালো অন্ধকার গেরুয়া শিবিরে। 

{link}
কলকাতা পুরসভার ৮টি ওয়ার্ড নিয়ে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রের ৭০ নম্বর ওয়ার্ডটি অবাঙালি অধ্যুষিত। ২০১৪ সাল থেকে লোকসভা কিংবা বিধানসভা কোনও ভোটেই এখানে লিড নিতে পারেননি তৃণমূল প্রার্থী। বাম জমানার অবসানের পর এই ওয়ার্ডটি গেরুয়া শিবিরের শক্ত ঘাঁটি বলেই জানতেন সবাই। সেই ওয়ার্ডেই এবার ১৫৫৬ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী।  

{link} 
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে দেশের সব প্রদেশেরই মানুষের কমবেশি বাস। এখানে বাঙালি হিন্দু ভোট ৪২ শতাংশ, অবাঙালি হিন্দু ভোট ৩৪ শতাংশ। আর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটের হার ২৪ শতাংশ।এতদিন এই অবাঙালি ভোটের সিংহভাগই গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে। একুশের ভোটেও এই ওয়ার্ডে লিড পেয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী। প্রত্যাশিতভাবেই আশার ফানুস ক্রমেই ফুলছিল বিজেপির। উপনির্বাচনে সেই ফানুসটাও নিভে গেল।
কেবল ৭০ নম্বর ওয়ার্ডই নয়, অবাঙালি অধ্যুষিত ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডেও এবার এগিয়ে তৃণমূল। এই ওয়ার্ডের ৫০ শতাংশ বাসিন্দাই অবাঙালি। সেই ভোটেরও সিংহভাগ পড়েছে জোড়াফুলে। যার জেরে রমরমা তৃণমূলের।

{link}
নন্দীগ্রামে হেরে যাওয়ার পর ভবানীপুর উপনির্বাচনে প্রার্থী হন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে হলে এই কেন্দ্রে তাঁকে জিততেই হত। বিপুল ভোটে তিনি জিততেও চলেছেন। এবং শুধু তাই নয়, অবাঙালিরাও দু হাত উপুড় করে ভোট দিয়েছেন মমতাকে। 
২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর আসন ধরে রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী ছিলেন নন্দীগ্রামে। কিন্তু বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ১,৯৫৬ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। সে জন্য তাকে ভোটের ময়দানে নামতে হয়েছে। নিয়ম অনুসারে মুখ্যমন্ত্রী থাকার জন্য তাঁকে ভোটে জিতে আসতে হবে ৬ মাসের মধ্যে। অবাঙালীদের মন জয় করে ভবানীপুর থেকে জিতে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্শি ধরে রাখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


 

সর্বশেষ আপডেট: