একুশের নির্বাচনের প্রচারে যে কটি প্রকল্পের কথা মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর কাছে তুলে ধরেছিলেন, এবং আশ্বাস দিয়েছিলেন যে ভোট মিটলেই তা কার্যকর হবে, তার রূপায়ন ধীরে ধীরে শুরু হয়ে গেছে রাজ্যে। এই প্রকল্পগুলির মধ্যেই একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ন প্রকল্প ছিল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড।
{link}
গত ৩০ জুন মুখ্যমন্ত্রী স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের সূচনা করেন। সেই থেকে এখনও পর্যন্ত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় আবেদনকারীর সংখ্যা ৩৪৯ জন। এদের মধ্যে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক ভাবে ৬ জনের হাতে চেক তুলে দিলেন জেলা শাসক রশ্মি কমল। পড়াশোনায় বাড়ছে খরচ, সূচনার দেড় মাসের মধ্যেই প্রথম দফায় ছাত্রছাত্রীর হাতে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের ঋণের টাকা পাওয়ায় খুশি ছাত্র ছাত্রীরা। জেলায় ঋণ পাওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের বেশিরভাগই মেডিক্যাল ছাত্র। এদের মধ্যে মেদিনীপুর সদরের মনিদহতে বাড়ি দ্বিতীয় বর্ষের মেডিক্যাল ছাত্র সৌমিক পাত্র চার লক্ষ টাকা আবেদন করেছিল। সেই পরিমাণ টাকার চেক পেয়েছে। সৌমিক জানায়, “বাবা কৃষিকাজে যুক্ত। চাষবাস করে সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। ডাক্তারি পড়াতে বিপুল খরচ। এই ঋণ পাওয়ায় অনেকটা সুবিধা হলো।”এমনই ঋণ পেয়েছে শালবনীর ঋতু খাঁ। তবে বালিচকের পূজা জানা দশ লক্ষ টাকা ঋণের আবেদন করে তার চেক পেয়েছেন। পূজা জানিয়েছে, সে প্রাইভেট মেডিকেল কলেজের ছাত্র। ফলে পড়াশোনায় বিপুল খরচ। বাড়িতে খুবই সমস্যা হচ্ছিল পড়াতে। এই ঋণ পড়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করল। জেলা শাসক রশ্মি কমল জানান, ৬ জনের ঋণ সমবায় ব্যাঙ্ক অনুমোদন করেছে। তাদের হাতে এদিন চেক তুলে দেওয়া হলো।
{link}
এর পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও এহেন চেক রাজ্য তুলে দেবেন স্টুডেন্টদের হাতে এবং তার ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। ধীরে ধীরে সমস্ত জেলাতেই শুরু হবে দেওয়া।
