নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়াঃ জগাছার উনসানিতে উচ্ছেদ ঘিরে প্রবল উত্তেজনা। ভাড়াটিয়া উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় ওই এলাকায়। জানা গেছে শুক্রবার গভীর রাতে, জমির মালিক দলবল নিয়ে বুলডোজার নিয়ে এসে ঘর ভাঙতে শুরু করেন। তখনই দু'পক্ষের বচসা শুরু হয়। ক্ষোভের কারনে বুলডোজারে আগুন ধরিয়ে দেয় এলাকার বাসিন্দারা। আজও এলাকায় উত্তেজনার আবহ অব্যাহত রয়েছে।
{link}
জগাছার উনসানি ষষ্ঠীতলা এলাকায় শুক্রবার গভীর রাতে জমির মালিক দলবল নিয়ে বুলডোজার নিয়ে এসে ভাড়াটেদের ঘর ভাঙতে আসেন। তখনই বচসা শুরু হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালানোর পশাপাশি মারধরও করা হয়। ঘরে ব্যাপক ভাঙচুরও চালায় দুষ্কৃতিরা। যার ফলে এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষিপ্ত হয়ে বুলডোজারে আগুন ধরিয়ে দেন। এই নিয়ে এলাকায় বিপুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে জগাছা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনা নিয়ে শনিবার সকালে এলাকার বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখায়। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্থানীয় এক নেতার মদতেই এই ঘটনা। সম্পূর্ন যায়গাটি এখন বিদ্ধস্ত অবস্থায় পরিনত হয়েছে। বিষয়টির বিস্তারিত তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
{link}
সারা দক্ষিনবঙ্গ যখন শীতের আবহে কার্যত কাঁপছে, তখনই ওই জমির মালিক রাতের অন্ধকারে কিছু গরীব মানুষকে ভিটে মাটিহীন করে নিজ স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে বুলডোজার এবং দুষ্কৃতি নিয়ে চড়াও হন। প্রাণনাশের হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয় বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। এহেন পদ্ধতিতে মানুষকে গৃহহীন করে তোলার অধিকার আইনত নেই। এখন এই মাথায় ছাদ হারানো মানুষগুলির আশ্রয় কি হবে? প্রশ্ন উঠছে এইখানেই।নৈতিকতা শব্দের অর্থ কি ভুলতে বসেছে সমাজের একটা অংশের মানুষ? শেষ পর্যন্ত ঘটনায় পুলিশি তদন্তের পর কি তথ্য প্রকাশ্যে উঠে আসে সেটাই দেখার বিষয়।
