২০২৩এর প্রথমেই রয়েছে ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন।বিপ্লব দেবের পা থেকে মাটি সরাতে উঠে-পরে লেগেছে তৃণমূল। কিছুদিন আগেই ত্রিপুরা গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বিজেপি ছেড়ে আবার তৃণমূলে যোগ দেন দলবদলু রাজীব ব্যানার্জি। মোটামোটি বলতে গেলে সফল হয়েছে তৃনমূলের ত্রিপুরা মিশন। এরই মধ্যে পুরভোটে অথচ পড়শি রাজ্যের অর্ধেক আসনেও প্রার্থী দিতে পারল না তৃণমূল। ত্রিপুরা দখলে জানপ্রাণ দিয়ে লড়ছে তৃণমূল। ত্রিপুরেশ্বরীর রাজ্যের মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন জোড়াফুল শিবিরের একাধিক উচ্চসারির নেতা মন্ত্রিরা।তাও তার পরেই সে রাজ্যের পুরনির্বাচনে অর্ধেক আসনেই প্রার্থী দিতে পারেনি তৃণমূল।
{link}
২০২১এর বঙ্গজয়ের পর বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরার রাশ যাতে ফের বিজেপির হাতে না যায়, সেজন্য মাস কয়েক আগেই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ত্রিপুরা বিধানসভার ভোট ’২৩ সালে। তার পরের বছরই লোকসভা নির্বাচন। চলতি মাসের ২৫ তারিখে হবে ত্রিপুরা পুরনিগম ও নগর পঞ্চায়েতের নির্বাচন। এই নির্বাচন উপলক্ষেই হয়ে গেল মনোনয়নপত্র দাখিল প্রক্রিয়া। প্রক্রিয়া শেষ হতেই জানা গেল, ত্রিপুরার সব আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তবে আগরতলা পুরনিগমের ৫১টি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। এর মধ্যে ২৫টি আসনে দেওয়া হয়েছে মহিলা প্রার্থী। তবে নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে সব আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি জোড়াফুল শিবির।
সূত্রের খবর, আগরতলা পুরনিগম, ১৩টি পুর পরিষদ এবং ৬টি নগর পঞ্চায়েতের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে আসন রয়েছে ৩৩৪টি। এই আসনগুলির জন্য মনোনয়পত্র দাখিল করেছেন মোট ৮২৯ জন প্রার্থী। এর মধ্যে তৃণমূলের পক্ষে মনোনয়ন দাখিল করেছেন মাত্র ১২৫ জন।
{link}
সব আসনে মনোনয়ন দাখিল করতে না পারার জন্য তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য দুষছেন বিজেপির সন্ত্রাসকেই। তৃণমূলের তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব জানান, বারবার বিরোধীদের ওপর সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করছে বিজেপি। তার জেরেই অনেকে প্রার্থী হতে চাইছেন না। বিজেপি নেতৃত্ব অবশ্য তৃণমূলের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। 'বদলা নয়, বদল চাই।' ১১-র পালাবদলে এই স্লোগান দিয়েছিলেন 'পিসি'। তার ১০ বছর পর সেই স্লোগানই ত্রিপুরায় 'ভাইপো' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। ২০২৩এর জন্য আরও বেশি প্রস্তুতি নিতে হবে তৃনমূলকে? তা সময়ই বলবে।
