লক্ষ্য ছিল দুশো পার করা কিন্তু তার বদলে কার্যত একুশের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। তারপরেই সমস্ত কিছু ঝেড়ে ফেলে নতুনভাবে সাজাতে শুরু করেছে বিজেপি। দলকে টেনে তুলতে বদলানো হয়েছে সভাপতি। ‘প্রবীণ’ দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে বসানো হয়েছে তরুণ তুর্কি সুকান্ত মজুমদারকে। ’২৪এর লোকসভা নির্বাচনের আগে দলকে চাঙা করতে এবার ‘আঠারো বছর বয়স’ অর্থাৎ যুব সমাজকে সামনের সারিতে রেখেই আসন্ন লড়াই সামলে উঠতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।
{link}
একুশের ভোটে ২০০ আসনের টার্গেট নিয়েছিলেন গেরুয়া নেতৃত্ব। লক্ষ্যপূরণ হয়নি। এক তৃতীয়াংশ আসন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে পদ্ম শিবিরকে। এর পরেই হতাশ জীবনে আশার আলো খুঁজতে গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূলে গিয়েছেন বেশ কয়েকজন নেতা। দলের নিচুতলায়ও ভাঙন অব্যাহত। এমতাবস্থায় দল ধরে রাখাই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় গেরুয়া নেতৃত্বের কাছে। দ্রুত বদলে ফেলা হয় সভাপতি। তাজা রক্তের সুকান্ত মজুমদারকে বসানো হয় বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ পদে। এতে কাজও হয়েছে। ইতিমধ্যেই নানা আন্দোলনে হাজির হয়েছেন দলের তরুণ সেনানীরা। সেই কারণেই দলে ‘বৃদ্ধতন্ত্র’-হঠিয়ে তরুণ তুর্কিদের এগিয়ে দিতে চাইছেন বিজেপির ‘দিল্লিশ্বরে’-রা।
{link}
সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই যুবমোর্চা সভাপতি খোঁজা শুরু করে দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির কর্তাব্যক্তিরা। আরএসএস এবং এবিভিপি থেকে নয়া উদ্যোমী তরুণদের মধ্যে থেকে বেশ কয়েকজনকে দলীয় সংগঠন এবং যুবমোর্চায়া নিয়ে আসা হতে পারে। বঙ্গবিজেপির মিডিয়া সেলের কয়েকজনকেই নিয়ে আসা হতে পারে সামনের সারিতে।
{link}
গেরুয়া শিবিরের একটি সূত্রের খবর, রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদে নয়া মুখ হিসেবে দেখা যেতে পারেন তাজা রক্তের দেবজিৎ সরকার, অর্জুন সিং, অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়দের। দলের কার্যকারিনী বৈঠকে এসব নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। তরুণজ্যোতি, তাপস, রাজলক্ষ্মীদের মতো তাজা শোনিতের তরুণ-তরুণীদের নামও রয়েছে বিজেপির বিবেচনার তালিকায়। এখন কে কি দায়িত্ব পান কার মাথায় কোন তাজ শোভা পায় পদ্মের শিবিরে তাই দেখার বিষয়। তারা কি আনতে পারবেন রাজ্য বিজেপির জন্য সেই ২০০-র লক্ষ্যমাত্রা পূরন করতে? সেটাও দেখার বিষয় বটে।
