সান্দাকফু সহ দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রার পতন অব্যাহাত। কিন্তু তার মধ্যেই বেড়ে চলেছে নির্বাচনী উত্তাপ। লড়াই ত্রিমুখী হলেও যেন সম্মুখসমরে বিমল গুরুং এবং অজয় এডওয়ার্ড। দুই নেতার চ্যালেঞ্জ, পালটা চ্যালেঞ্জের তরজায় টগবগ করে ফুটছে শৈলশহরের ম্যাল থেকে জনবহুল চৌরাস্তার মোড়। এবার দার্জিলিং বিধানসভা আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা প্রবল। ওই তিন শক্তির মধ্যে একদিকে রয়েছে তৃণমূল সমর্থিত অনীত থাপার নেতৃত্বাধীন গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার প্রার্থী বিজয় রাই। অন্যদিকে বিজেপি সমর্থিত বিমল গুরুং নেতৃত্বাধীন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার যুবনেতা নোমান রাই এবং ভারতীয় গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্ট-এর প্রধান অজয় এডওয়ার্ড। কার্যত রবিবার ভারতীয় গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্ট প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকে পুরো ছবি পালটে গিয়েছে।
বিমল গুরুং নিজে প্রার্থী না-হলেও দার্জিলিং আসনটি পাহাড়ে তাঁর রাজনৈতিক অস্তিত্বের নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে চলেছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। গুরুং নিজেও সেটা অনুভব করছেন। তাই হয়তো প্রচারে বেরিয়ে বলেন, “অজয় এডওয়ার্ডের ভারতীয় গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্ট-এর সঙ্গে নির্বাচনী জোট নিয়ে আলোচনার জন্য অপেক্ষা করেছি। উনি সময় দেননি। উলটে দলের নেতৃত্বের মাধ্যমে বলেছেন দার্জিলিং ও কার্শিয়াং দুই আসনে ভারতীয় গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্ট জিতবে।” এরপরই তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন, “যদি দার্জিলিং আসনে তিনি জিততে পারেন তবে আমি রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নেব।” চ্যালেঞ্জ লুফে নিয়েছেন অজয় এডওয়ার্ড। তিনি বলেন, “আমি বারবার বিমল গুরুংকে বিজেপি ও তৃণমূল দল থেকে টাকা নিতে নিষেধ করেছি। উনি শুনছেন না। এরপর আর জোট করা সম্ভব! উনি রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস গ্রহণের যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন সেটা গ্রহণ করছি।”
