কমবেশি সকলেই মনে করেন যে আর জি কর মামলার একটা দিক শেষ হলেও অধরা রয়ে গেছে বহু প্রশ্ন। যা নিয়ে কোনো অজ্ঞাত কারণে রাজ্য পুলিশ ও সিবিআই নীরব আছে। সেই চ্যাপ্টার আবার প্রকাশ্যে আনলেন প্রধান বিচারপতি। বিচারপতি মান্থা বলেন, “মৃতের পরিবার নতুন করে ঘটনাস্থল ভিজিট করতে চেয়েছে। তাতে সিবিআইয়ের কোনও আপত্তি নেই। তাহলে রাজ্যের আপত্তি কীসের? মামলায় তারা পার্টিও নয়। যদি নতুন করে পরিবার হলফনামা দেয়, আর সিবিআই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাতে রাজ্য আপত্তি করবে কেন?
এদিন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা ও বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। খড়্গপুর আইআই-তে ছাত্র-মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে বিচারপতি বলেন, “ছাত্রের রহস্য মৃত্যুতে পরে ফরেনসিক ডাক্তার প্রমাণ দেন খুনের। এই ক্ষেত্রেও ফরেনসিকের ভালো ভাবে খতিয়ে দেখার জায়গা আছে।”
বৃহস্পতিবার আদালত স্পষ্টভাবে জানায়,আরজিকর মামলায় যদি দরকার হয় সিবিআই নতুন করে সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় রায় ও অন্য সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। সিবিআই যেন কোনও দ্বিধা না করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায়।” এমনটাই বললেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। প্রয়োজনে যে কোনও ব্যক্তিকে জেরা করা যাবে বলেও নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। এবার সিবিআই-কে নির্দেশ দেওয়া হল, প্রয়োজনে ওই ব্যক্তিকে আবারও প্রশ্ন করা যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা চলছিল। সেই মামলাই হাইকোর্টে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার ওই মামলার শুনানিতে বড় পর্যবেক্ষণ আদলতের।
