মেটাচ্ছেন একের পর এক সেলফির আবদার, সঙ্গে করছেন ভোটের আবেদন। আবার সুযোগ পেলেই নর্দমার জমা জল, ভাঙা কল দেখিয়ে তুলে ধরছেন এলাকাবাসীর দুঃখ দুর্দশার ছবি। সবমিলিয়ে শুক্রবার সকালে হাওড়ার, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে জমজমাট রুদ্রনীল ঘোষের প্রচার। তিনি নেতার সঙ্গে অভিনেতাও বটে। সেই কারণে তাঁর কাছে ছবি তোলার আবদারও অনেক বেশি। একের পর এক সেলফির আবেদন মিটিয়েই এদিন সকালে নির্বাচনী প্রচার সারলেন রুদ্রনীল।
একইসঙ্গে এদিনও রুদ্রনীল প্রচারের মাঝে তুলে ধরলের এলাকার বেহাল অবস্থার ছবি। প্রচারের সময় সংবাদমাধ্যম কে তিনি জানিয়েছেন, ‘এলাকার মানুষ স্থানীয় কাউকে চাইছেন যে তাদের সমস্যা বুঝবে। একইসঙ্গে মানুষ একটি স্বচ্ছ ভাবমূর্তির দল চান। আমার বিশ্বাস, মানুষ এবার পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেবেন।“
বিপক্ষ প্রার্থী প্রসঙ্গে রুদ্রনীল ঘোষ জানিয়েছেন, ‘এবার এখানে যিনি প্রার্থী হয়েছেন তিনি এতো লুঠ করেছেন যে, আগের বিধানসভা কেন্দ্রে তাঁকে আর প্রার্থী করা হয়নি। পরিবর্তে তিনি এখানে দাঁড়িয়েছেন। বালির লোক তাড়িয়েছে বলেই তিনি শিবপুরে এসেছেন। বালিতে তাঁর বদলে যাকে প্রার্থী করা হয়েছে তাঁকে মানুষের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হচ্ছে। মনোজ বাবু এখান থেকে পালিয়েছেন। আমি জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।‘
আজও নির্বাচনী প্রচারে শাসকদল কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন রুদ্রনীল। তিনি বলেন, ‘তৃণমূল যদি চাইত চুরি করব না, তাঁরা উন্নয়ন করতে পারত। অন্যায়ের জন্যই রানা চট্টোপাধ্যায় গলিতে ঢুকতে পারছে না। তৃণমূল চোরেদের বংশ। পরিবর্তনের সময় এসে গিয়েছে।‘
