শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: 'নামকরণ' নিয়ে খেলা বেশ জমে উঠেছে। মার্ক্স, লেনিন, হোচিমিনের নাম এবার বাদ দেওয়ার পক্ষে রাজ্যসরকার। সেই নিয়ে বামপন্থীদের সঙ্গে বিতর্ক সমানে চলেছে। বিজেপি নেতা তথাগত রায় জানিয়েছেন, লেনিন সরণি ছাড়াও আরও কিছু রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব দেওয়া হবে কমিটিতে। সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ আবার পাল্টা জানিয়েছেন, তাঁরা যখন ক্ষমতায় ছিলেন সেই সময় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামের রাস্তা পরিবর্তন হয়নি। আর এই আবহের মধ্যেই এবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নামের রাস্তার পক্ষে সওয়াল করলেন বরাহনগরের বিধায়ক সজল ঘোষ। সজল ঘোষ বলেন, “ভারতে মার্কস লেনিনের ভূমিকা কী? এটা জানতে চাই। রাজনৈতিক উদ্দেশেই এদের নামকরণ করা হয়েছিল।” তখনই তিনি প্রাক্তন প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রীর নামের রাস্তা তৈরির প্রস্তাব দেন। বলেন, “বুদ্ধবাবুর নাম দিন কোনও আপত্তি নেই। আমি পুরসভাকে অনুরোধ করব বুদ্ধবাবুর নামে বড় রাস্তা হওয়া উচিত। আরও অনেক প্রাজ্ঞ নেতারা আছেন। যাঁদের সততা-জীবন নিয়ে প্রশ্ন নেই।”
প্রশ্ন উঠেছে, মার্ক্স,লেনিন দর্শনিক। তাদের নামে আপত্তি কেন? ক্ষমতায় আসার পরই প্রথম সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম পাল্টে গোপাল মুখোপাধ্যায় রোড করেছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। নাম বদলের জন্য একটি কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। সেই কমিটিকেই লেনিন সরণির নাম পরিবর্তন নিয়ে আবেদন করা হবে।বিজেপি নেতা তথাগত রায় জানিয়েছেন, লেনিন সরণি ছাড়াও আরও কিছু রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব দেওয়া হবে কমিটিতে। কোন কোন রাস্তার নাম বদলে কী রাখা হতে পারে, সেই বিষয়েও জানিয়েছেন বিজেপি নেতা। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, লেনিন সরণির নাম বদলে দেবপ্রসাদ ঘোষ করা হতে পারে। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পর ভারতীয় জনসংঘের সর্বভারতীয় সভাপতি ছিলেন দেবপ্রসাদ ঘোষ।
