Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 24/10/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Kunal Ghosh: রাজনীতি ভুলে বিজেপি সাংসদকে সৌজন্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন কুনাল!

Loading... রাজ্য
Kunal Ghosh: রাজনীতি ভুলে বিজেপি সাংসদকে সৌজন্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন কুনাল!
#Kunal Ghosh #West Bengal #Justice Ganguly #Politics #অভিজিৎ গাঙ্গুলি #রাজনীতি #সৌজন্য #কুনাল ঘোষ

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: কুনাল ঘোষ আগেও রাজনীতির উর্ধে উঠে সৌজন্য দেখিয়েছেন। এবারও তাই। বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানজটে আটকে গেলে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন কুনাল ঘোষ।বিসর্জনের যানজটের মাঝে বিজেপি সাংসদকে সাহায্যে এগিয়ে গেলেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়ক। শুক্রবার বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যাচ্ছিলেন কলকাতার রামমোহন রায় রোড দিয়ে। যানজটে আটকে পড়ে তাঁর গাড়ি। এখানেই বাড়ি বিধায়ক কুণাল ঘোষের। তিনি অভিজিৎবাবুকে দেখামাত্র সাহায্য করতে এগিয়ে যান। ভিড় কিছুটা ফাঁকা করে সাংসদের গাড়ি বেরিয়ে যাওয়ার জায়গা করে দেন। একে অপরকে দেখে হাতজোড় করে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ও করেন। এই ছবি উৎসবের মরশুমে রাজনৈতিক সৌজন্য এক বড় উদাহরণ হয়ে রইল। শুক্রবার রাতের দিকে শিয়ালদহ লাগোয়া রাজা রামমোহন রায় রোডে চলছিল বিসর্জনের শোভাযাত্রা। স্বভাবতই বেশ ভিড় হয়েছিল। এসময় সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। যানজটে আটকে পড়ে তাঁর গাড়ি। তা দেখতে পেয়েই এগিয়ে যান বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

 অভিজিৎবাবুর গাড়ি বেরনোর ব্যবস্থা করেন। প্রতিমা নিয়ে যে শোভাযাত্রা চলছিল, সেই সদস্যদের অনুরোধ করেন, যাতে প্রতিমার গাড়িটি ঘুরিয়ে দেওয়া যায়। বিধায়কের কথা শুনে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা রাস্তা ফাঁকা করে দেন। সেখান দিয়ে বেরিয়ে যায় সাংসদের গাড়ি। এসময়ে কুণাল ঘোষ ও অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নিজেদের মধ্যে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। দু’জনকেই হাসিমুখে একে অপরের সঙ্গে সামান্য বাক্যালাপ করতে। বছর দুয়েক আগেও এই দু’জনের সম্পর্ক ছিল তিক্ত। তখন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি ছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তৎকালীন তৃণমূল সরকারের একের পর এক বেআইনি নিয়োগ নিয়ে কড়া রায় দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বিশেষত শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যেভাবে তিনি ‘বঞ্চিত’ চাকরিপ্রার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে রাজ্যকে ভর্ৎসনা করেছিলেন, তাতে ‘মানুষের ভগবান’ তকমাও পান তৎকালীন জাস্টিস গাঙ্গুলি। আর সেসময়ের শাসকদলের অন্যতম সৈনিক হিসেবে তাঁর সমস্ত রায়কে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে বিদ্ধ করেছিলেন কুণাল ঘোষ। সরাসরি না হলেও পরোক্ষে উভয়ের মধ্যে বিরোধিতা ছিল প্রকট।

সর্বশেষ আপডেট: