ইতিমধ্যেই রাজ্যের তিনটি প্রধান দল তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। বিজেপি ও সিপিআইএম পূর্ণাঙ্গ তালিকা ঘোষণা করেনি। কিন্তু, দলের সমস্ত প্রার্থীদের তালিকাই ঘোষণা করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে, প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের একাধিক প্রান্তে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। দিকে দিকে প্রার্থী নিয়ে বা প্রার্থীর বিধানসভা নিয়ে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। বিজেপি, তৃণমূল তো বটেই বামেদের মতো শৃঙ্খলাবদ্ধ দলেও এবার সেই প্রবনতা দেখা গিয়েছে। তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে জীবনতলা এলাকা।
{link}
ভাঙড় নয়, শওকত মোল্লাকে প্রার্থী করতে হবে ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্র থেকেই। এই নিয়ে তৃণমূল নেতা, বিধায়কের অনুগামীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। জীবনতলা এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র বিক্ষোভ। মঙ্গলবার রাত থেকে তৃণমূলের কর্মীদের একাংশ জীবনতলায় বিধায়কের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান। টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করা হয়। আজ, বুধবার সকাল থেকে ফের শুরু হয়েছে বিক্ষোভ, অবস্থান। তাঁদের দাবি, কোনওভাবেই শওকত মোল্লাকে ভাঙড়ে প্রার্থী করা যাবে না। তাঁরা শওকতকে ভাঙড় পূর্বেই প্রার্থী হিসাবে দেখতে চান।
পরিস্থিতির চাপে পড়ে এই বিক্ষোভ সম্পর্কে মুখ খুলেছেন তৃণমূলের দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই ডাকসাইটে নেতাও। তিনি জানিয়েছেন মানুষের আবেগ রয়েছে। তবে, আমি আগে দলনেত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলব। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেব কী করা উচিত।
{link}
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেস এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তাদের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করেছে। একাধিক জেলায় প্রার্থী বদল হয়েছে। কড়াভাবেই প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছে ঘাসফুল শিবির। বর্তমান বিধায়কদের মধ্যে অনেকেই টিকিট পাননি। এবার ৭৪ জন মুখ বদল হয়েছে শাসক দলের প্রার্থী তালিকায়। এর মধ্যে একাধিক জনপ্রিয় নেতা নেত্রীও রয়েছেন। বাদ পড়েছে মাণিক, পার্থর মতো বড় নাম।
{link}
ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা এলাকার দীর্ঘদিনের বিধায়ক শওকত মোল্লা। ওই এলাকায় বাড়ি হওয়ায় ‘ভূমিপুত্র’ হিসেবেও তিনি পরিচিত। এদিকে দল তাঁকে বেশ কিছুদিন ধরে ভাঙড়ের দায়িত্বও দিয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে ভাঙড়েও তাঁর প্রভাব রয়েছে। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতে দেখা যায়, ক্যানিং পূর্ব নয়, এবার শওকত মোল্লাকে প্রার্থী করা হয়েছে ভাঙড় থেকে। আর তারপরই ক্যানিং এলাকায় ক্ষোভ ছড়াতে থাকে। যদিও দল এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করেনি।
{ads}