শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বামপন্থীরা কখনোই সরাসরি পুজোর সঙ্গে যুক্ত থাকে না। তবে বাঙালির এই শ্রেষ্ট উৎসবকে কাজে লাগিয়ে রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বুকস্টল দেয়। এর মধ্য দিয়ে বারে জানসংযোগ। সূত্রের খবর এবার সেই বুকস্টলের সংখ্যা বাড়াতে চলেছে সিপিএম। পুজোর মাঠকে শুধু উৎসবের পরিসর হিসেবে নয়, মানুষের সঙ্গে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের ক্ষেত্র হিসেবেও ব্যবহার করতে চাইছে আলিমুদ্দিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানার প্রথম দিকে বিভিন্ন পুজোয় বামেদের বইয়ের স্টলের সংখ্যা কমে গেলেও পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে তা ফের বাড়ানো হয়েছিল। এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর বুক স্টল করার ক্ষেত্রে নতুন করে বাধা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা বাম নেতৃত্বের। বিশেষ করে গেরুয়া শিবিরের রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে পুজোর সময়েও সংগঠনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে সক্রিয় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দলীয় নেতৃত্বের বার্তা, কোনও ধরনের হুমকি বা চাপের কাছে মাথা নত করা যাবে না। বরং যেখানে সম্ভব সেখানে বুক স্টলের সংখ্যা বাড়াতে হবে। পুজো কমিটি ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে মার্কসবাদ, শ্রমিক আন্দোলন, কৃষক আন্দোলন, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে কমিউনিস্টদের ভূমিকা এবং সমকালীন রাজনৈতিক-সামাজিক বিষয়ের বই মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এবারের কর্মসূচিতে বিশেষভাবে ছাত্র ও যুবদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছে আলিমুদ্দিন। শুধু বই বিক্রি নয়, বইয়ের বিষয়বস্তু নিয়ে মানুষের সঙ্গে আলোচনা, নতুন প্রজন্মের কাছে বামপন্থী চিন্তাভাবনা তুলে ধরা এবং পুজোর ভিড়কে জনসংযোগের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
.jpeg)
