শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: একটা অসাধারণ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলার পর্যটন দপ্তর। কলকাতার বাবুঘাট থেকে মায়াপুর পর্যন্ত সোজাসুজি ফেরিসার্ভিস। গঙ্গার দু’পাড়ের ধর্মীয়, ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিকেও জলপথে জুড়ে দেওয়ার ভাবনা। ফলে ভবিষ্যতে গঙ্গার বুকে ফেরি বা ভেসেলে চেপেই ঘুরে দেখা যেতে পারে বাংলার একাধিক দর্শনীয় স্থান। ব্যাপারটি যে বেশ মনোরম হবে, তা বলাই বাহুল্য। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনায় ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি হেরিটেজ ট্যুরিজমকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেই ভাবনা থেকেই বাবুঘাট-মায়াপুর ফেরি পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা। প্রস্তাবিত এই রুটে দু’টি হাইব্রিড ডিজেল-ইলেকট্রিক ফেরি চালানোর কথা ভাবা হয়েছে। মায়াপুর বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র। প্রতি বছর দেশ-বিদেশের বহু মানুষ সেখানে যান। কলকাতা থেকে সড়ক বা রেলপথে মায়াপুর যাওয়া যায়। কলকাতার দিক থেকে যাওয়া বেশ লম্বা সময়ের ব্যাপার। হেকটিকও বটে। জলপথে সেটা যাওয়া গেলে যে বেশ মনোরম ও দ্রুত হবে, তা বলাই যায়।
পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বাবুঘাট থেকেই ফেরিতে উঠে গঙ্গার বুক দিয়ে মায়াপুর পৌঁছনো যাবে। শুধু গন্তব্যে পৌঁছনো নয়, বরং আলাদা একটি ভ্রমণ অভিজ্ঞতাও মিলবে। শুধু মায়াপুর নয়, গঙ্গার তীরে থাকা একাধিক ধর্মীয় স্থানকেও জলপথ পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে দক্ষিণেশ্বর এবং বেলুড় মঠ। রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ জানিয়েছেন, নদীর তীরে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানগুলিকে জলপথের মাধ্যমে যুক্ত করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে। ফলে ভবিষ্যতে পর্যটকেরা এক যাত্রাতেই গঙ্গার তীরের একাধিক দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে পারেন। প্রস্তাবিত প্ল্যানে অন্নপূর্ণা মন্দির, হংসেশ্বরী মন্দির, দক্ষিণেশ্বর এবং বেলুড় মঠের মতো জায়গাগুলিকে একই জলপথ পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করার কথা ভাবা হয়েছে।
.jpeg)
