শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বিষয়টা বাক স্বাধীনতার, বিষয়টা ব্যক্তি স্বাধীনতার। আমি পুজোর সময় অঞ্জলি দেবো কিনা তা তো আমার নিজের ব্যাপার। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী তাও ঠিক করে দেবেন। আর তা নিয়েই বিতর্ক। যারা ধর্মকে আফিং বলেন, নিজেদের নাস্তিক বলেন, তাঁদের কাছ থেকে উপদেশ নেওয়া হবে না। সোমবার গণেশ পুজোর সূচনা করে বামেদের এভাবেই কড়া আক্রমণে বিবলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক নিয়ে এদিন শুভেন্দুর মত, কোনদিন নিরামিষ খেতে। হয়, কোনদিন মাছ দিয়ে মাকে ভোগ দিতে হয়, তা সনাতনীরা জানেন। তাঁর বক্তব্য, “আগে পুজো পদ্ধতি, পুজো পাঠ, পঞ্জিকা নিয়ম বদলে দিয়ে বলা হত, কালচারাল প্রোগ্রাম। কেউ বা কারা প্রাদেশিকতার নামে বিভাজন করতে চেয়েছিল।”
বেহালায় এই বক্তবের আগে বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পুজোর সূচনা করে পুজো-শারদোৎসবের বিতর্ক উড়িয়ে কমিউনিস্টদের নবান্নে এসে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে ‘পরিবর্তনের স্বাদ’ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি বলেন, “অনেকের খুব কষ্ট হচ্ছে, মূলত কমিউনিস্ট ঘরানার যাঁরা। মানে যাঁদের পুজো বলতে খুব কষ্ট। খুব গালাগালি করছে আমাকে। বলছে, পুজো কেন লিখতে হবে। কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের বলব, আমি বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নবান্নতে পুষ্পাঞ্জলি দেব। আপনারা নবান্নতে আসুন। একসঙ্গে সবাই মিলে বিশ্বকর্মী ঠাকুরের সামনে পুষ্পাঞ্জলি দিই। খুব ভালো লাগবে। পরিবর্তনের স্বাদ আপনারাও পাবেন।

