TMC Campaign: উত্তরে মমতা, দক্ষিণে অভিষেক! নির্বাচনী প্রচারে ঝড়
ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে নির্বাচনের দিন। বঙ্গে বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে ভোটের আবহ। হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। সেই কারণেই দ্রুত নির্বাচনী প্রচারে লাফিয়ে পড়তে চলেছে রাজ্যের শাসক শিবির। ইতিমধ্যেই প্রচারের পরিকল্পনাও সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, প্রথমিকবাবে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত উত্তরেই প্রথমে প্রচারে যাবেন মমতা। অপরদিকে দক্ষিণের মাটিতে ঘুরবেন অভিষেক। রাজ্যের দুই প্রান্তে তৃণমূলের দুই প্রধান মুখ প্রচার অভিযানে নামতে চলেছেন।
{link}
একটি সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, রবিবার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে কর্মিসভা থেকে প্রচার শুরু করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোজা উত্তরবঙ্গে চলে যাবেন। উত্তরের সবকটি জেলায় ভোট ২৩ এপ্রিলে। উত্তরবঙ্গে এবার নির্বাচনে জয়ী আসন সংখ্যা বাড়াতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। মাসখানেক হাতে রেখে প্রচারে জোর দিতে চলেছেন তিনি। আগামী মঙ্গলবার, একদিনে তিন বিধানসভা কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করার কথা রয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জায়গা এখনও গেরুয়া-গড়ের শক্ত ঘাঁটি। যদিও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর বেশ খানিকটা উদ্ধার করেছে ঘাসফুল শিবির। তা সত্ত্বেও উত্তরবঙ্গে প্রধান ‘রাজনৈতিক শত্রু’ বিজেপিকে ধরাশায়ী করতে নেত্রী নিজেই ঝাঁপাচ্ছেন প্রচারে। প্রচারে গিয়ে কী বার্তা দেন তিনি, সেই বিষয়টির উপরেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।
{link}
অপরদিকে, মমতার মতো অভিষেকও এবারে তৃণমূলের প্রচার অভিযানের অন্যতম প্রধান মুখ হতে চলেছেন। অভিষেকের যাত্রা শুরু হবে ২৪ মার্চ থেকেই। তিনিও ২৪ মার্চ থেকে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা থেকে জনসভা করবেন বলে খবর। ইতিমধ্যেই এই বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। পরেরদিন, ২৫ মার্চ অভিষেকের প্রচার নন্দীগ্রাম থেকে দুই মেদিনীপুরে। ওইদিন প্রথম দফায় দাসপুর, তারপর কেশিয়াড়ি ও নারায়ণগড়ে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার করবেন তিনি। এরপর নন্দীগ্রামে অভিষেকের কর্মিসভা। এই কেন্দ্রে এবার লড়াই বিরোধী দলনেতা, বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী, শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ পবিত্র করের। তিনি গত মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। একুশে এই কেন্দ্রই ছিল বিধানসভা ভোটের উপকেন্দ্র। এবারও নিঃসন্দেহে এখানে জোরদার লড়াই। আর সেদিকে বাড়তি নজর দিচ্ছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
{ads}