নির্বাচনী যুদ্ধে অংশ নিতে চাননি তিনি। চেয়েছিলেন পরামর্শদাতা হিসেবেই কাজ করে যেতে। তবে পদ্ম শিবির কথা শোনেনি। কৃষ্ণনগর উত্তরে প্রার্থী করা হয় মুকুল রায়কে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর গোড়ার দিকে কোনও পদ না-পেয়ে দলে খানিকটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন মুকুল। গুঞ্জন শুরু হয়, তৃণমূলে ফিরতে পারেন মুকুল।
{link}
আজ, বৃহস্পতিবার দিনভর এই জল্পনাই ঘুরপাক খেলে রাজনৈতিক মহলে। এর কারণ, বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সৌগত রায়ের একটি মন্তব্য। যে মন্তব্যের জেরে মুকুলের তৃণমূলে যোগদানের রাস্তা আরও প্রশস্ত হল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
{link}
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে দ্রুত ওপরে উঠছেন শুভেন্দু অধিকারী। আর ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে বিজেপিতে যোগ দিয়েও, দলে সেই অর্থে জায়গা পাননি মুকুল। হতাশ মুকুল তৃণমূলে ফিরতে চান বলে জল্পনা ছড়ায়। এই জল্পনায় ইন্ধন জোগায় মুকুলের ছেলে শুভ্রাংশুর একটি পোস্ট। তার পরেই সপুত্র মুকুলের তৃণমূলে ফেরার সম্ভাবনার একটা রুপোলি রেখা দেখা দেয়। এরই মধ্যে আবার মুকুলের স্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে যান তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা সংক্রমণের জেরে বেশ কিছুদিন ধরে তিনি ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। তার পরেও অবশ্য দলের কেউ তাঁর খোঁজ নেননি বলে অভিযোগ। অভিষেক যাওয়ার পরেই টনক নড়ে। ওই রাতেই মুকুল-জায়াকে দেখতে হাসপাতালে যান দিলীপ ঘোষ। তার পরের দিনই ফোন করে তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
{link}
তবে এতেও চিঁড়ে ভেজেনি। ৮ তারিখে হেস্টিংসে দলের পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দেননি মুকুল।বিজেপির এই ‘অন্তর্দ্বন্দ্বে’ তৃণমূল ইন্ধন জোগাচ্ছে বলে অভিযোগ। এদিন সংবাদ মাধ্যমে সৌগত বলেন, মুকুল রায় কখনও নেত্রী সম্পর্কে খারাপ কথা বলেননি। দল ছেড়ে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য দলনেত্রী সম্পর্কে খারাপ ভাষা ব্যবহার করেছেন। তার পরেই মুকুলের দলবদলের জল্পনা ফের জোরালো হয়। সৌগতর মন্তব্য সম্পর্কে মুকুল কিংবা তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
