শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র দুটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন। আর তাতেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে সারা বাংলা জুড়ে। সেই উয়েজনাকেই চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার প্রচারের মঞ্চ থেকে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ দাগেন তিনি। এরপরই সুমিত রায়ের জেল যাত্রার প্রসঙ্গ টেনে এনে ওই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ওই মন্তব্যের পর থেকেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। প্রশ্ন উঠছে, বড় চোর কে , কাকে ইঙ্গিত করলেন শুভেন্দু অধিকারী? চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনে দুই কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর। দুই কেন্দ্রেই জয়লাভ করেন। কিন্তু, শেষপর্যন্ত নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। তাঁর ছেড়ে যাওয়া নন্দীগ্রামের আসনে ফের উপনির্বাচন ৬ অক্টোবর। শুক্রবার বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের প্রচারে নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। সেখান থেকেই মমতা তৃণমূল ও ডেমোক্রেটিক তৃণমূলকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “হলদিয়াতে আমি যেদিন সার্টিফিকেট নিয়েছিলাম, চার তারিখের মধ্যরাত্রি, সেদিনই বলেছিলাম সব দল থাকবে, এই পার্টির নাম ও নিশান থাকবে না।"
তিনি আরো বলেন,নেই। আপনারা সবাই অপেক্ষা করে আছেন, সুমিত রায় সব চোরেরা তো জেলে, বড় চোর কবে যাবে? বড় চোরও জেলে যাবে। এতটুকু বিচলিত হবেন না।”শুভেন্দুর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে কাকে চোর বলে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী? চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। এই বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, “কোনও মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী তো কেউই বলতে পারেন না। এটা নির্বাচনী গিমিক। এগুলো নির্বাচনের সময় অনেক কথা বলেন, পরে ভুলে যান। কেউ যদি অপরাধ করেন, তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ধরনের কথার কোনও মানে হয় না। পাল্টা ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যদের একহাত নেন। এই বিষয়ে মদন মিত্র বলেন, “কুণাল ঘোষ কী জানেন যে বড় চোর কে, শুভেন্দু অধিকারী কাকে উদ্দেশ্য করে কথা বলছেন। দুইদিন অপেক্ষা করুন, সবটা সামনে আসবে।"
