আছড়ে পড়ল অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। ওড়িশা বালেশ্বরের কাছে ধামড়ায় আছড়ে পড়তে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। ঝড়ের বেগ ঘণ্টায় ১৩০-১৪০ কিমি। ধামড়া কার্যত জল থইথই। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ শুরু হয় ল্যান্ডফল। কয়েকঘণ্টা ধরে ল্যান্ডফল চলবে। সাইক্লোনের আগেই অংশটি ঢুকতে শুরু করে স্থলভাগে। এই মাঝের অংশটি ঢোকার সময় ঝড়ের বেগ ও বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমে যায়। টেল অংশটি অতিক্রম করে যাওয়ার সময় ফের ঝড়ের দাপট বাড়বে। বাড়বে বৃষ্টি।আজ সকালে সাইক্লোনের ক্লাউড ওয়াল ঢুকতে শুরু করায় ঝোড়ো হাওয়ার তাণ্ডব শুরু হয়। সঙ্গে তুমুল বৃষ্টি।
{link}
সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। সবথেকে বেশি প্রভাব পড়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। দিঘায় সকাল সাড়ে ৬টায় ইয়াসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার। আছড়ে পড়ার আগেই প্রভাব দেখাতে শুরু করেছে ইয়াস। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া।বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
{link}
গত ২৪ ঘণ্টা ধরে ডিউটি করছেন বিপর্যয় মোকাবিলা, পুরসভা, পঞ্চায়েত, পিডব্লুইডি, বিদ্যুৎ, সেচ, কৃষি দফতরের প্রায় ৭৪ হাজার কর্মী। মূলত প্রাণহানি রোখাই সরকারের টার্গেট। এর পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি যাতে কম নষ্ট হয়, নষ্ট হলেও যাতে দ্রুত মেরামত করা যায় তার নিরন্তর চেষ্টা চলছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, 'উপকূলবর্তী এলাকায় গ্রামগুলিতে জল ঢুকছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ৫১টি নদীবাঁধ ভেঙেছে। গোসাবার গ্রামগুলি প্লাবিত। ২০ হাজার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দিঘা, শংকরপুর এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নন্দীগ্রামে গ্রামের পর গ্রাম ডুবে গিয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ৩.৮ লাখ মানুষকে নিরাপদে সরানো হয়েছে। ১৫ লাখ মানুষকে নিরাপদে সরানো হয়েছে'।
