গুলাব এর পর ফের ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা দক্ষিণবঙ্গে। ।সোমবার সন্ধ্যায় কম্পাসু নামে ঘূর্ণিঝড় পশ্চিমবঙ্গের দিকে ধেয়ে আসছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের দিক হবে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তি এলাকা সহ কলকাতা, মেদিনীপুর।সাইক্লোনের অবস্থান হবে পশ্চিম ও উত্তর -পশ্চিম দিকে।এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত গঙ্গা, পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দফতর।
কম্পাসু ঘূর্ণিঝড় মায়ানমার দ্বীপের মধ্য দিয়ে এসে ভারতে প্রবেশ করবে। ঘূর্ণিঝড় স্যাটেলাইটের মানচিত্র দেখাচ্ছে কম্পাসু সরাসরি কলকাতা এবং আশেপাশের এলাকায় আঘাত আনবে।
{link}
পূর্বাভাসকারীদের আশঙ্কা করছেন ‘কম্পাসু’ নামে এই ঘুর্নিঝড় দক্ষিণ চীন সাগর হয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করবে। এর পর এটি বঙ্গোপসাগরের দিকে অগ্রসর হবে। কমপাসু ইতিমধ্যেই দক্ষিণ চীন সাগরে আছড়ে পরেছে। বিশেষজ্ঞরা এই ঘূর্ণিঝড়কে ক্যাটাগরি 1 হারিকেন বলে অভিহিত করেছেন। কম্পাসু বর্তমানে হংকং -এর দক্ষিণ -পূর্ব এবং ম্যানিলার উত্তর ও উত্তর -পশ্চিমে অবস্থিত। ঘূর্ণিঝড় প্রতি ঘন্টায় ২০ কিমি গতিতে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
{link}
দশমীর সকাল থেকে কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা ছিল। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল ৯৭ শতাংশ। ফলস্বরূপ, আর্দ্রতা দ্বারা সৃষ্ট অস্বস্তি খুব বেশি ছিল। নিম্নচাপের কারণে, রবিবার এবং সোমবার দক্ষিণবঙ্গে খারাপ আবহাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দমকা হাওয়াসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
{link}
মঙ্গলবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর । উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা (পশ্চিমবঙ্গ আবহাওয়া আপডেট)। রবিবার ও সোমবার বৃষ্টিপাত বাড়বে। যারা সমুদ্রে আছেন তাদের শনিবার রাতে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার ও সোমবার সমুদ্র উত্তাল থাকবে। অতএব, এই দুই দিনে জেলেদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। আগামী দিনে শুধু বাংলায় নয়, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতর থেকে।
অন্যদিকে আরব সাগরে নিম্নচাপের কারণে কর্ণাটক, কেরালা এবং তামিলনাড়ুতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখায় আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
