২/৩ দিন ধরে সন্ধ্যার পরে ভালো বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে তাপমাত্রা অনেকটা কমে গেছে। সকালের দিকে বেশ মনোরম পরিবেশ। আবহাওয়া দপ্তর (Weather Department) বলছে, ওডিশা ও মধ্যপ্রদেশে ফুঁসছে দু’টি ঘূর্ণাবর্ত। ছত্তিসগড় থেকে মণিপুর পর্যন্ত রয়েছে নিম্নচাপ অক্ষরেখা। যার কারণে প্রচুর জলীয় বাষ্প রাজ্যে। আর বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
আবহাওয়া দপ্তর বলছে, রবিবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমান সহ জেলায় জেলায় চলবে ঝড়বৃষ্টির ডবল ডোজ।জেলার সর্বত্র বৃষ্টি না হলেও বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হবে একাধিক জেলায়। পাশাপাশি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, আগামী সপ্তাহ থেকে কমবে বৃষ্টির ডোজ। ৯ এপ্রিল পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং বাঁকুড়া এই সব জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকছে আর ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে সমানে। মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতাও রয়েছে সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে। নতুন সপ্তাহ থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে দক্ষিণবঙ্গে। বৃষ্টি কমলে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে আজও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হবে। অধিকাংশ জায়গায় বজ্রপাত-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টি হতে পারে উপরের দিকের কিছু জেলার কিছু অংশে। এর মধ্যে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে। বৃষ্টির দোসর হতে পারে ৪০–৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া।
