শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: কোজাগরী পূর্ণিমার লক্ষ্মী আরাধনা শেষ হতেই এবার দীপাবলির তোড়জোড় শুরু। গোটা দেশে এই উৎসব চলবে পাঁচ দিন ধরে। অকালবোধন থেকে শুরু হওয়া উৎসবের মরশুমের শেষ ধাপে ফের একবার আলোয় সেজে ওঠার পালা। কার্তিক মাসের অমাবস্যা মানেই তো শ্যামা মায়ের পদধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠা ভক্তহৃদয়। কবে পড়েছে কালীপুজো? কবে পালিত হবে দীপাবলি Countdown? কবেই বা পড়েছে ভাইফোঁটা? উৎসবের এই পাঁচ দিনব্যাপী মহাযজ্ঞের শুরু হয় ধনতেরাসের হাত ধরে। কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে পালিত হয় এই পবিত্র দিন। চলতি বছরে আগামী ৬ নভেম্বর, শুক্রবার (২০ কার্তিক) পড়েছে ধনতেরাস। সোনা-রুপোর গয়না কিংবা নতুন বাসনপত্র কেনার চল রয়েছে এই দিনে। শাস্ত্র মতে, এই তিথিতে কেনাকাটা করলে ঘরে মা লক্ষ্মীর কৃপা বজায় থাকে। সোনা কেনার সেরা শুভ লগ্ন ধরা হয়েছে ওই দিন বিকেল ৫টা ২৮ মিনিট থেকে সন্ধে ৭টা ২৬ মিনিট পর্যন্ত।
ধনতেরাসের ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ৭ নভেম্বর, শনিবার (২১ কার্তিক) বাংলার ঘরে ঘরে নামে ভূত চতুর্দশীর সন্ধ্যা। ১৪ শাক ভক্ষণ এবং বাড়ির কোণে কোণে চৌদ্দটি প্রদীপ জ্বালিয়ে অশুভ শক্তিকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার প্রাচীন রীতি আজও অটুট। সংস্কার আর বিশ্বাসের মেলবন্ধনে এই সন্ধ্যাটি বেশ রহস্যময়। অপদেবতার গ্রাস থেকে গৃহকে রক্ষা করতে প্রদীপের আলোয় সেজে ওঠে প্রতিটি ঘর। পাঁচদিনের এই উৎসবের মূল কেন্দ্রবিন্দু হল দীপান্বিতা অমাবস্যা। আগামী ৮ নভেম্বর, রবিবার (২২ কার্তিক) সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে শুরু হচ্ছে পবিত্র কার্তিক অমাবস্যা তিথি। অমানিশার অন্ধকার ভেদ করে সেদিন জ্বলে উঠবে লক্ষ লক্ষ প্রদীপ। অবাঙালি সমাজে এই দিনে লক্ষ্মী-গণেশ পুজো হলেও, বাঙালির কাছে এই লগ্ন একান্তভাবেই শ্যামা মায়ের আরাধনার। মায়ের রক্তকমল পায়ে অঞ্জলি দিতে মুখিয়ে থাকে গোটা বাংলা। অনেক পরিবারে এই একই দিনে দীপান্বিতা লক্ষ্মীপুজো করারও চমৎকার নিয়ম রয়েছে।
