মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
রাজ্য

SSC Case : সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘিরে বিতর্ক

শেফিল্ড টাইমস ডেস্ক প্রকাশিত:
SSC Case : সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘিরে বিতর্ক
শেয়ার করুন:

শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক :  উচ্চ আদালতের এই রায় শোনার পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দায় ঠেলেছেন বিজেপি, সিপিএমের দিকে। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই রায়ের সঙ্গে তিনি সহমত নন। প্রশ্ন উঠেছে - এর বিকল্প কী? SSC আদালতে যোগ্য ও অযোগ্যর কোনো তালিকা জমা দিতে পারে নি। OMR শিট নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। কোনো OMR শিট কোথাও স্টোর করা নেই - অন্তত SSC তাই জানিয়েছে। অথচ SSC স্বীকার করেছে এখানে অনেক অযোগ্য প্রার্থী আছে। সেকথা মুখ্যমন্ত্রীও স্বীকার করেছেন। এবার তাহলে কোন পথ খোলা রইলো উচ্চ আদালতের কাছে?

আরও পড়ুন: দুর্গা পুজো: ২০২৮ সালে একই বছরে ২ বার দুর্গা পুজো! প্রকৃত তথ্য জেনে নিন 

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম রায় ঘোষণার পর মমতা বলেন, “যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ১১৬১০ জন ক্লাস নবম-দশম শ্রেণিতে পড়াতেন। ৫৫৯৬ জন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়াতেন। এগুলি খুব গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস। অনেকে খাতাও দেখছে।” মমতার প্রশ্ন এবার ওই ক্লাসগুলিতে কে পড়াবে ?  কী করে সেই পরীক্ষা নেওয়া হবে? এই প্রসঙ্গ তুলেই মুখ্যমন্ত্রী সন্দেহ প্রকাশ করেন, বাংলার পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে কোলাপ্স করার চেষ্টা চলছে না তো! বামেদের নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সিপিএম তো চিরকুটে চাকরি দিত। তার তো তদন্ত হয় না?” তাঁর দাবি, পরিকল্পনা করে বাংলাকে পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আদতে চক্রান্ত করেছে বামেরা। কিন্তু বাংলার মানুষের কাছে দুর্ভাগ্য তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবীর বাড়ি থেকে যে টাকার পাহাড় উদ্ধার হয়েছে, তৃণমূলের বহু নেতা, মন্ত্রী MLA যে এই অভিযোগে জেল খেটেছেন বা খাটছেন সেকথা বলেন নি? কিন্তু কেন বলেন নি?

আরও পড়ুন: সুকান্ত মজুমদার: চোরবাগান কাণ্ডে 'লাশের রাজনীতি' বন্ধ করার নির্দেশ সুকান্ত মজুমদারের! 

এখানেই কি জমে আছে অন্ধকার? আসল কথা হলো অযোগ্য প্রার্থীদের কথা জেনেও সরকার পক্ষ এতো বছর নীরব ছিল। বহু ক্যান্ডিডেট তাদের শেষ সম্বল বিক্রি করে চাকরি কিনেছে। কিন্তু যাদের কাছ থেকে চাকরি কিনেছে, তারা দিব্যি বিদেশি গাড়ি চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী কি এর কিছুই জানেন না? তাঁর মন্ত্রীসভা কোন কারণে অতিরিক্ত পদ তৈরী করে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ করেছেন? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর সামনে না আসলে চলবে শুধুই রাজনৈতিক কর্চা - আসল সমস্যার সমাধান হবে না। কার বা কাদের জন্য প্রায় ২৬ হাজার জনের চাকরি গেলো? - তারও উত্তর পাওয়া যাবে না।