মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
রাজ্য

Mamata Banerjee : মমতার অভিযোগ খারিজ দিল্লি পুলিশের

শেফিল্ড টাইমস ডেস্ক প্রকাশিত:
Mamata Banerjee : মমতার অভিযোগ খারিজ দিল্লি পুলিশের
শেয়ার করুন:

শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক : দিল্লিতে এক বাঙালি পরিবারের উপর নির্যাতন নিয়ে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার সেই নিয়েই মুখ খুলল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। রাজধানীর বুকে বাঙালি মা ও শিশুকে হেনস্থা করার যে অভিযোগ তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার তা খারিজ করলেন পূর্ব দিল্লির ডিসিপি অভিষেক ধানিয়া। বীরভূম থেকে ভাষা আন্দোলনের সূচনার দিনে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

আরও পড়ুন: দুর্গা পুজো: ২০২৮ সালে একই বছরে ২ বার দুর্গা পুজো! প্রকৃত তথ্য জেনে নিন 

তাতে দেখা গিয়েছিল, তার দেড় বছরের শিশু ও স্ত্রীকে কীভাবে মেরেছে দিল্লি পুলিশ, সেই বর্ণনা দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। সেই ভিডিয়োকে হাতিয়ার করেই বিজেপির দিকে তোপ দেগেছিলেন মমতা। লিখেছিলেন, “এই দেশে বাঙালিদের বিরুদ্ধে বিজেপির শুরু করা ভাষা সন্ত্রাসের হিংসা থেকে পরিত্রাণ পেল না একটা শিশুও। দেশকে এরা কোথায় নিয়ে যাচ্ছে?”সোমবার সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে মুখ্যমন্ত্রীর সেই দাবি খারিজ করল পূর্ব দিল্লি পুলিশের ডিসিপি অভিষেক ধানিয়া। তিনি বলেন, “স্থানীয় গোয়েন্দার মাধ্যমে সেই ভিডিয়োর ভিত্তিতে তদন্তে নামে দিল্লি পুলিশ।

আরও পড়ুন: সুকান্ত মজুমদার: চোরবাগান কাণ্ডে 'লাশের রাজনীতি' বন্ধ করার নির্দেশ সুকান্ত মজুমদারের! 

নানা প্রযুক্তিগত পরীক্ষানিরিক্ষাও করা হয় এবং সেই ভিত্তিতেই একাধিক প্রমাণ জড়ো করে তদন্তকারী দল।” তাঁর সংযোজন, “সেই প্রমাণ নথির ভিত্তিতে আমরা ওই ভিডিয়োয় দেখানো পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করি। তখনই আসল সত্যিটা বেরিয়ে আসে। আমরা জানতে পারি, ওই পরিবার ভিডিয়োটা তৈরি করেছিল তাদের এক আত্মীয়র কথায়। যাকে আবার নির্দেশ দিয়েছিল মালদহের এক নেতা। এই ভিডিয়ো সম্পূর্ণ ভাবে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” অবশ্য এখন পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর কোনো প্রতিক্তিয়া পাওয়া যায় নি।