মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
রাজ্য

সম্পত্তির লোভে বাবা কে খুন, হাওড়ার কাজীপাড়ায় খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ছেলে ও তার বন্ধু

শেফিল্ড টাইমস ডেস্ক প্রকাশিত:
সম্পত্তির লোভে বাবা কে খুন, হাওড়ার কাজীপাড়ায় খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ছেলে ও তার বন্ধু
শেয়ার করুন:

নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়াঃ শুক্রবার রাতে হাওড়ার শিবপুর থানার কাজীপাড়ায় চপার দিয়ে ব্যবসায়ীকে নৃশংস খুনের ঘটনায় শিউরে উঠেছিল সাধারন মানুষ। খুনের অভিযোগ পাওয়ার ১০ ঘন্টার মধ্যে দু'জনকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করলো হাওড়া জেলা পুলিশ। ঘটনায় ওই ব্যবসায়ীর পালিত পুত্র শেখ আফ্রিদি আলী ওরফে আকাশ এবং তার বন্ধু সিকান্দার কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই দুজন মিলেই নৃশংসভাবে খুন করে কলকাতার ব্যবসায়ী, হাওড়ার বাসিন্দা হাজী তৈয়ব আলীকে।

আরও পড়ুন: দুর্গা পুজো: ২০২৮ সালে একই বছরে ২ বার দুর্গা পুজো! প্রকৃত তথ্য জেনে নিন 
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে খুনের মোটিভ। নেপথ্যে সেই সম্পত্তি হস্তগত করার ছক। সুপারি কিলার লাগিয়ে নিজের বাবাকে খুন করার ছক তৈরি করেন তারই পালিত পুত্র শেখ আফ্রিদি আলি। শুক্রবার রাতেই হাওড়ার শিবপুর এলাকার কাজীপাড়ায় ব্যবসায়ীকে চপার দিয়ে কুপিয়ে খুনের ঘটনা ঘটে, লক্ষপূরন হয় তাদের। নিজের ব্যবসার কাজ মিটিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন হাজী তৈয়ব আলী। সেই সময়েই পিছন থেকে তাকে ধারালো অস্ত্র দিলে আক্রমণ করে সুপারি কিলার সিকান্দার। মাথার পিছনে চপার দিয়ে আঘাত করা হয়। অতর্কিতে হামলায় আঘাত পেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। তারপর আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষনা করেন চিকিৎসকেরা। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে পুলিশের হাতে। অভিযুক্ত হন মৃত ব্যাক্তিরই সন্তান শেখ আফ্রিদি আলি ও তার বন্ধু। ১০ ঘন্টার মধ্যেই অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। 

আরও পড়ুন: সুকান্ত মজুমদার: চোরবাগান কাণ্ডে 'লাশের রাজনীতি' বন্ধ করার নির্দেশ সুকান্ত মজুমদারের! 
হাওড়া সিটি পুলিশের পুলিশ কমিশনার প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠী জানান রাতেই পুলিশ খুনের ঘটনার কিনারা করে। এই ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে ব্যবসায়ীর প্রথম পক্ষের বিয়ের কোনও সন্তান ছিল না। সেই সময় এক পুত্রসন্তান দত্তক নেন তিনি। পরে দ্বিতীয় পক্ষের বিয়ের পর তার একটি পুত্র সন্তান হয়। সম্পত্তিগত বিবাদের জেরেই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে জানা গেছে। যে ছেলের ‘অনাথ’ পরিচয়ের অন্ত ঘটিয়ে তাকে নিজের পরিবারে এনেছিলেন, মানুষ করেছিলেন নিজের হাতে, সম্পত্তির কারনে তার হাতেই মরতে হল বাবা কে। অর্থ, লোভের কাছেই ক্রমাগত পরাজিত হয়ে চলেছে মানবিকতা। এহেন ঘটনা মানুষের কাছে শুধুমাত্র আতঙ্কদায়কই নয়, সমাজের বুকে একটি ক্ষতচিহ্ন, যা প্রতিনিয়ত চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে সমাজের বর্তমান অবক্ষয় কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে। দোষীদের কঠিনতম শাস্তির দাবী করছেন সাধারন মানুষ।