মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
রাজ্য

সমবায় ব্যাঙ্কে নিয়ম ভেঙে ঘনিষ্ঠদের চাকরি, নিয়োগ দুর্নীতিতে কাঠগড়ায় মন্ত্রী অরূপ রায়

শেফিল্ড টাইমস ডেস্ক প্রকাশিত:
সমবায় ব্যাঙ্কে নিয়ম ভেঙে ঘনিষ্ঠদের চাকরি, নিয়োগ দুর্নীতিতে কাঠগড়ায় মন্ত্রী অরূপ রায়
শেয়ার করুন:

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ফের নয়া নিয়োগ দুর্নীতি, আর তাতেই নাম উঠল আরও এক তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচিত প্রভাবশালী নেতার। শিক্ষাদপ্তর, দমকল, খাদ্য়দপ্তরের পর এবার সমবায় ব্যাংকে নিয়োগেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়াল রাজ্যের আরও এক মন্ত্রীর। অভিযোগ, নিয়ম ভেঙে বর্তমানে রাজ্যের সমবায়মন্ত্রী অরূপ রায়ের ঘনিষ্ঠদের চাকরি করে দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়েই নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মন্ত্রী অরূপ রায়। তাঁর কথায়, “অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।” এই মুহূর্তে এই দুর্নীতি নিয়েই রাজ্য রাজনীতিতে উঠতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক পারদ। 

আরও পড়ুন: দুর্গা পুজো: ২০২৮ সালে একই বছরে ২ বার দুর্গা পুজো! প্রকৃত তথ্য জেনে নিন 
তমলুক-ঘাটাল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ২০২১ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার আদালতে অতিরিক্ত হলফনামা জমা করেন মামলাকারীরা। সেখানেই নাম রয়েছে রাজ্যের সমবায় মন্ত্রীর। অভিযোগ, অরূপ রায় ঘনিষ্ঠ সত্য সামন্তের বোন চাকরি পেয়েছেন। একইভাবে চাকরি পেয়েছেন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ আরও অনেকে, দাবি করা হয়েছে অতিরিক্ত হলফনামায়। মামলাকারীদের আরও অভিযোগ, ৫২টি পদে ১৩৪ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছে। মেধাতালিকায় নাম নেই এমন লোকেদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। নিয়ম ভেঙে দু’বার নিয়োগের অনুমতি দিয়েছেন মন্ত্রী। নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনও নিয়ম মানা হয়নি। আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: সুকান্ত মজুমদার: চোরবাগান কাণ্ডে 'লাশের রাজনীতি' বন্ধ করার নির্দেশ সুকান্ত মজুমদারের! 
যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী। তাঁর কথায়, “সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে মামলার পার্টি করা হলে আদালতে আমাদের প্রতিক্রিয়া জানাব। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে নিয়োগ হয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।” তবে এই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিরোধীরা। তবে কি পার্থ, অনুব্রতের পর দুর্নীতিতে পরবর্তীতে উঠে আসতে চলেছে আরও এক দাপুটে তৃণমূল নেতার নাম? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য জুড়ে।