মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
রাজ্য

গনতন্ত্রের সর্ববৃহৎ উৎসব, নির্ধারিত সময়েই হবে তো ?

শেফিল্ড টাইমস ডেস্ক প্রকাশিত:
গনতন্ত্রের সর্ববৃহৎ উৎসব, নির্ধারিত সময়েই হবে তো ?
শেয়ার করুন:

বাংলার মানুষের দরজার কড়া নাড়ছে গনতন্ত্রের সবচেয়ে বড়ো উৎসব। নিজেদের সবটা দিয়ে লড়াইয়ে নেমে পড়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলি। একের পর এক পালাবদল লেগেই রয়েছে। দলের হয়ে প্রচারে কোনরকম খামতি রাখছেন না রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। প্রতিদিনই সভা সমাবেশ ও মিছিল হচ্ছে রাজ্যের একাধিক প্রান্তে। লোকসমাগমও হচ্ছে বিপুল পরিমানে। কিন্তু কোথাও গিয়ে এই মিটিং মিছিলের বিপুল জনসমাগমই বিপদ ডেকে আনবে না তো? 


প্রশ্ন ওঠার কারন করোনা ভাইরাস। উল্লেখ্য বিষয় ফের দুটি করে কোভিড-১৯ এর স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছে মহারাষ্ট্র, কেরেলা ও তেলেঙ্গানায়। বিশেষজ্ঞদের মতে এটি কোভিডের দ্বিতীয় ওভেভ বা ঢেউ। তা যদি রাজ্যেও দেখা দেয় তা হলে তা চিন্তার ব্যাপার অবশ্যই। লকডাউন উঠে যাওয়ার পরে আনলক পরে মানুষকে বারংবার সোশ্যাল ডিসটেন্স এবং মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যাবহার করার কথা বলা হয়েছিল। প্রথম প্রথম সাবধানতা বজায় থাকলেও ধীরে ধীরে করোনাকে নিয়ে মানুষের মনে দেখা দিয়েছে উদাসীনতা। সোশ্যাল ডিসটেন্স উঠেছে শিকেয়। অধিকাংশ রাজনৈতিক সভা ও মিছিলে বিপুল সংখ্যক মানুষের জনসমাগম হচ্ছে যেখানে কার্যত সোশ্যাল ডিসটেন্সের কোনরকম বালাই নেই। মাস্কেরও দেখা নেই বহু মানুষের মুখে। আবার লকডাউনের পর জোরকদমে লোকসমাগম হচ্ছে বিয়েবাড়ি ও জন্মদিনবাড়ির মতো অনুষ্ঠানগুলিতে। মানুষের এই উদাসীনতাই ফের কপালে চিন্তার ভাঁজ নিয়ে এলে খুব  অবাক হওয়ার মতো কিছু হবেনা কিন্তু। সমাধানও কিন্তু সেই মানুষের হাতেই সে কোভিডের বিরুদ্ধে হোক কিংবা ভোটের ফলাফলেই। সব পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রকও সেই জনতা জনার্দনই।