মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
রাজ্য

Suvendu Adhikari : সন্দেশখালি এলাকায় আর জারি নেই ১৪৪ ধারা, যেতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী-সহ যে কোনও ব্যক্তি

শেফিল্ড টাইমস ডেস্ক প্রকাশিত:
Suvendu Adhikari : সন্দেশখালি এলাকায় আর জারি নেই ১৪৪ ধারা, যেতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী-সহ যে কোনও ব্যক্তি
শেয়ার করুন:

শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক: সন্দেশখালিতে যেতে পারবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ যে কোনও ব্যক্তি। সন্দেশখালির যে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি নেই, সেই জায়গায় যেতে পারবেন তাঁরা। তাঁদের বাধা দিতে পারবে না পুলিশ-প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাঁদের ওপর কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতেই পারে। তবে সেই বিধিনিষেধের বৈধতা যাচাই করবে আদালত। পাশাপাশি, বিএসএফকেও জানাতে হবে প্রয়োজনে বাড়তি নিরাপত্তা তারা দিতে পারবে কি না। সোমবার এমনই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। 

আরও পড়ুন: দুর্গা পুজো: ২০২৮ সালে একই বছরে ২ বার দুর্গা পুজো! প্রকৃত তথ্য জেনে নিন 


সন্দেশখালি যেতে গিয়ে আগে দু বার ব্যর্থ হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পুলিশের যুক্তি ছিল, ১৪৪ ধারা জারি করা এলাকায় তিনি গেলে বিঘ্নিত হতে পারে শান্তি। ১৪৪ ধারা রদ করতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে সিপিএম। সেই মামলার প্রেক্ষিতে সন্দেশখালি থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। পরে সন্দেশখালির কিছু জায়গা চিহ্নিত করে ফের ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।

আরও পড়ুন: সুকান্ত মজুমদার: চোরবাগান কাণ্ডে 'লাশের রাজনীতি' বন্ধ করার নির্দেশ সুকান্ত মজুমদারের! 


পর পর দুদিন সন্দেশখালি যেতে গিয়ে বাধা পান শুভেন্দু। ১৫ ফেব্রুয়ারি আবারও সন্দেশখালির পথে রওনা দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ১৪৪ ধারা জারি থাকায় সঙ্গে নেন মাত্র তিনজন বিধায়ককে। সেদিনও অশান্তির আশঙ্কায় আটকে দেওয়া হয় শুভেন্দুর গাড়ি। সরবেরিয়ায় তাঁকে আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশের যুক্তি ছিল, শুভেন্দু এলাকায় প্রচুর মানুষ বেরিয়ে আসবে। সেক্ষেত্রে নতুন করে তৈরি হতে পারে বিশৃঙ্খলা। এর পরেই সেখান থেকে ফিরে এসে আদালতের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু।