মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
রাজ্য

Jadavpur University:যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব বিধায়িকা শর্বরীর!

প্রকাশিত:

মূল বিষয়

নাম পরিবর্তনের একটা বেশ ঝোঁক পড়েছে। অনেক রাস্তার  সঙ্গে এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তিনের প্রস্তাব দিলেন বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়। তার কথায়, এই বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করেছিলেন ঋষি অরবিন্দ (Rishi Aurobindo)। তাঁর নীতি আদর্শের জায়গা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করার দাবি তুলেছেন

শর্বরী
শর্বরী
শেয়ার করুন:

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: নাম পরিবর্তনের একটা বেশ ঝোঁক পড়েছে। অনেক রাস্তার  সঙ্গে এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তিনের প্রস্তাব দিলেন বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়। তার কথায়, এই বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করেছিলেন ঋষি অরবিন্দ (Rishi Aurobindo)। তাঁর নীতি আদর্শের জায়গা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করার দাবি তুলেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার যাদবপুরের মঞ্চ থেকে শর্বরী বললেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ঋষি অরবিন্দ বিশ্ববিদ্যালয় করা হোক।” পাশাপাশি রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন যাদবপুরের বিধায়ক। বৃহস্পতিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এবিভিপি-র তেরঙ্গা যাত্রা, বন্দে মাতরম গান ও জাতীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচি ছিল। ক্যাম্পাসে বিভিন্ন মনীষীর ছবিও লাগায় এবিভিপি। পরে ত্রিগুনা সেন মঞ্চে হরিপদ ভারতী স্মৃতিরক্ষা সমিতির উদ্যোগে বেদমন্ত্র পাঠ ও বন্দে মাতরম গান হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রাহুল সিনহা, সুখেন্দু শেখর রায়, শর্বরী মুখোপাধ্যায়রা। ওই মঞ্চ থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের দাবি তুললেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়।

  রাষ্ট্রবাদের বিরুদ্ধে সরব হয়ে শর্বরী বলেন, “এটাই কি বড় কথা নয় যে ত্রিগুনা সেন মঞ্চে দাঁড়িয়ে জাতীয়বাদের কথা বলছি। এটাই কি কম বড় লড়াই যে এখানে দাঁড়িয়ে আমরা মাওবাদের বিরুদ্ধে, লেনিনবাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবাদের কথা বলছি। যে লড়াইটা আমরা করতেই পারতাম না যদি ৪ মে ২০২৬ আমরা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তাঁরা সঙ্ঘবদ্ধ হলেন। সমস্ত হিন্দুরা একত্র হলেন এবং জয়ধ্বজা ওড়ালেন। যদি রেজাল্টটা একটু আলাদা হত, তাহলে যাদবপুরে গোটা পশ্চিমবঙ্গজুড়ে আবার গণহত্যা দেখত। দায়িত্ব নিয়ে বললাম। আবার আমার কথার বিকৃতি হবে। কিন্তু আমার কথা বিকৃতি করে ঝোকানো যাবে না। আমার কথা, আমার শাড়ি, আমার চুল, আমার টিপ, আমার কাজল, আমার লিপস্টিক তার সমালোচনা করে আমার স্টিলের মেরুদন্ডটা বাঁকানো যাবে না। যতইচ্ছে সমালোচনা করুন। মঞ্চ দাঁড়িয়ে একটা কথাই বলব, রাষ্ট্রবাদের বিরুদ্ধে কথা হলে প্রতিবাদ হবেই।”

প্রতিবেদক

Tathagata