শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: গবাদী পশুর দুধ থেকে পানির হয়, যা খুবই স্বাস্থ্যকর। কিন্তু বাজারে প্রচলিত পানিরের, ৩৫ শতাংশ পানিরে মেশানো আছে এক ধরনের উদ্ভিজ্জ চর্বি - যা স্বাস্থ্যর পক্ষে মোটেই শুভ নয়। ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যগুলি আগেই উদ্ভিজ্জ চর্বি সমৃদ্ধ নকল পনির নিষিদ্ধ করেছিল। এবার বাজারে নকল পনিরের রমরমা রুখতে কড়া ব্যবস্থা নিতে চলেছে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI)।
দুধ ছাড়া অন্য কোনও জিনিস দিয়ে তৈরি ‘নকল পনির’কে যাতে আর ‘পনির’ বলে বিক্রি করা না যায়, তার জন্য একটি খসড়া সংশোধনী প্রস্তাব এনেছে তারা। পনিরের নামে নকল জিনিস কিনে সাধারণ মানুষ যাতে না ঠকে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে এফএসএসএআই। গবাদি পশুর দুধ থেকে তৈরি পনির পুষ্টিকর খাবার হিসাবে গোটা ভারতে প্রসিদ্ধ। বিশেষ করে নিরামিষ ভোজিরা প্রোটিন সমৃদ্ধ পনির খেয়ে থাকেন। যদিও গোটা দেশের বাজারেই নকল পনির ছেয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ আসছিল।
শুরু হয় পনিরের ল্যাব পরীক্ষা। তাতেই চক্ষু চড়কগাছ হয় বিশেষজ্ঞদের। দেখা যায় বাজার বিক্রি হওয়া পনিরের বড় অংশে ৩৫ শতাংশেরও বেশি উদ্ভিজ্জ চর্বি মেশানো রয়েছে। স্বভাবতই গুণমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি ওই পনির। এই পরিস্থিতিতে আগেই আলাদা করে কঠোর পদক্ষেপ করেছিল মহারাষ্ট্র ও ছত্তিশগড় সরকার। এবার সরাসরি কেন্দ্রর তরফে ব্যবস্থা নেওয়া হল। ২০১১ সালের ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস (প্রোহিবিশন অ্যান্ড রেস্ট্রিকশনস অন সেলস) রেগুলেশনস’-এ নতুন সংশোধনী আনা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট করা হয়েছে, “দুধ থেকে পাওয়া যায় না এমন উপাদান দিয়ে তৈরি পনির” আর বিক্রি করা যাবে না। এই নতুন নিয়ম চালু হলে, যে সব কোম্পানি ইতিমধ্যেই ‘অ্যানালগ ইন ডেইরি কনটেক্সট’ ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন পেয়েছে, তারা আর নিজেদের পণ্যের নাম, লেবেল বা বিজ্ঞাপনে ‘পনির’ শব্দটি ব্যবহার করতে পারবে না।
