শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: শীত পড়লেই Delhi-te দেখা দেয় সীমাহীন দূষণ। বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে বিষাক্ত গ্যাসে। মানুষের শর্দি-কাশি শুরু হয়ে গেছে। সরকার হয়ে উঠেছে তৎপর। রবিবার থেকেই Delhi-তে যানবাহন চলাচলে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি ৫০ শতাংশ কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোমের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিধিনিষেধ নিয়ম মেনে চলতে প্রথম দিন থেকেই সতর্ক দিল্লি সরকার। দূষণ নিয়ন্ত্রণে শুরু হয়েছে পুলিশের অ্যাকশন। সরকারি নির্দেশিকা ভাঙায় একদিনে প্রায় ৬৮ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, সরকারি নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রবিবারই রাস্তায় নেমেছে প্রায় ১৫ হাজার গাড়ি। সব গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সীমান্ত থেকে ফেরানো হয়েছে দেড় হাজারের বেশি। নিয়ম ভাঙায় জরিমানা করা হয়েছে মোট ৬৮.৪ লক্ষ টাকা। সরকারি তথ্য বলছে, জরিমানার সিংহভাগটাই এসেছে দূষণ নিয়ন্ত্রণ শংসাপত্র না থাকার কারণে। ১ নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দিল্লিতে নিষিদ্ধ সমস্ত নির্মাণকাজ এবং বাড়ি ভাঙার কাজ। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিল্লিতে দূষণের বড় কারণ নির্মাণকাজের ধূলিকণা।
তা রুখতে কঠোর পদক্ষেপের পথে সরকার। বিধিনিষেধের প্রথম দিনেই শহরের প্রায় ৩০০ টি নির্মাণস্থলে হানা দিয়েছে সরকারি আধিকারিকরা। তার মধ্যে প্রায় ৩২ টি জায়গা থেকে নিয়ম ভাঙার প্রমাণ মেলায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৯.৮ লাখ জরিমানা ধার্য করা হয়। পাশাপাশি ১৭ টি সাইটের কাজ অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৯ টি সংস্থাকে শোকজ করা হয়ে বলে খবর। দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রী মনজিন্দর সিং সিরসা জানিয়েছেন, গাড়ির গতিবিধি, দূষণ নিয়ন্ত্রণাধীন শংসাপত্র, নির্মীয়মাণ সাইটের ধুলো নিয়ন্ত্রণ- এই তিনটি ক্ষেত্রেই নজরদারি চালানো হয়েছে। ১ নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি, ২০২৭ পর্যন্ত বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। তবে বৈদ্যুতিক যানবাহন, সিএনজিচালিত যানবাহন, অ্যাম্বুলেন্স ও দমকলের ক্ষেত্রে রয়েছে বিশেষ ছাড়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিধিনিষেধ কার্যকরের জন্য থাকবে বিশেষ এনফোর্সমেন্ট টিম, অটোমেটিক নম্বর প্লেট রিকগনিশন (এএনপিআর) ক্যামেরা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত ‘ইন্টিগ্রেটেড কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার’ (আইসিসিসি)।
