মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
কলকাতা

Sandeep Ghosh : এবার প্রকাশ্যে আসছে সন্দীপের সম্পত্তির পরিমাণ

শেফিল্ড টাইমস ডেস্ক প্রকাশিত:
Sandeep Ghosh : এবার প্রকাশ্যে আসছে সন্দীপের সম্পত্তির পরিমাণ
শেয়ার করুন:

 শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক : অনেকটা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) মতো ডাঃ সন্দীপও (Sandeep Ghosh) ক্যানিংয়ে গড়ে তুলেছিলেন প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে বাংলো বাড়ি (bungalow house)। নাম দিয়েছিলেন -'সঙ্গীতাসন্দীপ ভিলা’। এবার হয়তো এমন আরো বহু সম্পত্তির তালিকা সামনে আসবে। 'সঙ্গীতাসন্দীপ ভিলা’র সন্ধান পাওয়া গেল ক্যানিংয়ের (Canning) ২ নং ব্লকের নারায়ণপুরে। যা নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে গুঞ্জন।

আরও পড়ুন: শিয়ালদহ স্টেশন: হুলস্থূল কাণ্ড শিয়ালদহতে!

ক্যানিংয়ের এই বাংলো বাড়িটি আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষের নামে বলেই জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের ঘুটিয়ারি শরিফের নারায়ণপুর মৌজাতে কেনা হয়েছে কয়েকশো বিঘা জমি। শুধু তাই নয়, সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল বাংলো বাড়ি। স্থানীয় বেশ কিছু যুবক সেখানে ফার্ম হাউস (Farm house) তৈরি করেছেন। কিন্তু পুরোটাই চলতো সন্দীপ ঘোষের নির্দেশ মতোই। সেই বাড়ির কেয়ারটেকার জাকির লস্কর বলেন, ”তিনি মাঝেমধ্যেই ফ্যামিলি নিয়ে এই নারায়ণপুরের বাংলো বাড়িতে আসতেন। প্রায় দু বছর আগে তিনি এই বাড়িটি তৈরি করেছিলেন। সারাদিন থাকতেন। খাওয়াদাওয়া করতেন।

আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: 'মানুষের ভুলেই বিপর্যয়, মাইকে ঘোষণা করার দরকার ছিল না’-বিস্ফোরক মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর!

দিনের বেলা সময় কাটাতেন, তারপর বেরিয়ে যেতেন।” এভাবেই হয়তো আরো বহু সম্পত্তির হদিস এবার আসতে থাকবে ওই কীর্তিমান ডাক্তারের। বাড়ির কেয়ারটেকার জানান আর জি কর ঘটনার পরে তিনি আর এখানেবাসেন নি। সব জমি এই সন্দীপ ঘোষের কিনা তা খোলসা করে বলতে পারেননি এলাকার মানুষজন। তবে স্থানীয় মানুষজনরা জানান রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে যোগসাজশ করেই এই জায়গাটি কিনেছিলেন সন্দীপ ঘোষ। এলাকাটি সোনারপুরের কাছাকাছি হওয়ায় বিভিন্ন রকম পরিকল্পনা ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় মানুষ জন। সন্দীপ যে লোকাল নেতাদের সঙ্গে বোঝাপড়া করেই ওই বিশাল সম্পত্তি করেছিল তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ এখন লোকাল নেতাদের তোলা না দিয়ে ওই বিশাল সম্পত্তি করা প্রায় অসম্ভব বলেই নাগরিক মহল মনে করেন।