শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বিকেল থেকেই টান টান উত্তেজনা। Asansol এতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁদের শারীরিক ও মানসিক পরিস্থিতি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বলে খবর। তবে জানা গিয়েছে, আপাতত প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছেন। জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে পাণ্ডবেশ্বরের কুমোরডিহি কোলিয়াড়িতে ডুলিতে আটকে পড়েন ১২ জন শ্রমিক। ডুলি দিয়ে সাধারণত শ্রমিকদের নামানো ও ওঠানো হয়। সেটাই রোলারে আটকে গিয়ে বিপত্তি তৈরি হয় বলে সূত্রের খবর। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কটি খানিতে ডুলির মধ্যে আটকে পারেন ১২ জন খানি শ্রমিক। প্রায় ২০০ ফুট মাটির তলা থেকে তাদের উদ্ধার করাটা একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। রাতভর অভিযানের চেষ্টায় প্রায় ১২ ঘণ্টা পর আজ ভোরে তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, চিকিৎসার জন্য় তাঁদের হাসপাপুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করে খনি কর্তৃপক্ষ। ঘটনাস্থলে ছিলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারিও। তিনি জানান, নীচে যাঁরা আটকে পড়েছেন, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার সম্ভব হয়েছে। তাঁদের দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে ঘটনায় উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছে, লিফটের টেকনিক্যাল ফলট। ওঁদের সঙ্গে কমিউনিকেশন, ভেন্টিলেশন ঠিকঠাক আছে। ফল্ট সাড়ানো হচ্ছে। আমি প্রার্থনা করি, তাঁরা যেন দ্রুত সুস্থভাবে ফিরে আসেন।” এদিকে এই ঘটনায়, খনির নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও যান্ত্রিক রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রায়ই কোলিয়াড়িতে ডুলি নিয়ে সমস্যা হয় বলে দাবি করেছেন শ্রমিকরা। ডুলি আটকে পড়ে বা ছিঁড়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এই বিষয়ে সোমবার রাতে জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেছিলেন, “কার জন্য দুর্ঘটনা, ভাল বা খারাপ, তার বিচার পরে হবে। আগে কাজ হল, যে লোকগুলি আটকে রয়েছেন, তাঁরা সুস্থভাবে উপরে চলে আসুক। তাঁদের কাছে খাবার পৌঁছে গিয়েছে। আপাতত তাঁদের সুস্থভাবে উপরে নিয়ে আসাই প্রাথমিক কাজ। এরপর যাঁরা যাঁরা ইউনিয়ন করেন, সেফটি কমিটিতে রয়েছেন যাঁরা, তাঁদের এগুলো দেখা উচিত যে কোথায় গাফিলতি আছে। তারপর সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
