মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
রাজ্য

অয়নের সংস্থাই পেয়েছিল ডায়মন্ড হারবার পুরসভার নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন পত্রের বরাত

শেফিল্ড টাইমস ডেস্ক প্রকাশিত:
অয়নের সংস্থাই পেয়েছিল ডায়মন্ড হারবার পুরসভার নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন পত্রের বরাত
শেয়ার করুন:

সুদেষ্ণা মন্ডল, ডায়মন্ডহারবার: ডায়মণ্ড হারবার পুরসভায় রীতিমতো ছড়িয়ে রয়েছে নিয়োগ দূর্নীতির জাল। অয়নের দুর্নীতির জালের প্রভাব ডায়মন্ড হারবার মডেলে। নিয়োগ দুর্নীতিতে একের পর এক জড়িয়ে পড়ছে শাসক দলের একাধিক নেতা-নেত্রীর নাম। তদন্ত নেমে তদন্তকারী অফিসারের হাতে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়াল ডায়মন্ড হারবার পুরসভার । ইতিমধ্যেই ইডির  হাতে গ্রেফতার হয়েছেন অয়ন শীল। আর এই অয়নের সূত্র ধরেই রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নিয়োগে দুর্নীতির তথ্য ইডির হাতে উঠে এসেছে। ইডি সূত্রে খবর, ২০১৬ সালে ডায়মন্ড হারবার পুরসভায় গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি মিলিয়ে ১৭ জনকে নিয়োগ করা হয়। এর মধ্যে ৫ জন আবার ডায়মন্ডহারবারের বাইরের বাসিন্দা বলে অভিযোগ। চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রশ্নপত্রের বরাত পেয়েছিল অয়ন শীলের সংস্থা।

আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: আগামী ১ নভেম্বর ঠাকুরনগরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী!

তৎকালীন ডায়মন্ড হারবার পুরসভার চেয়ারম্যান অয়ন শীলকে চিনতেন না বলে দাবি করেছেন। ২০১৬ সালে চেয়ারম্যান ছিলেন ডায়মন্ড হারবার পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মীরা হালদার। মীরা হালদার জানান, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ডায়মন্ডহারবার পুরসভা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সমস্ত স্বচ্ছতা সামনে রেখেই নিয়োগ হয়েছে। আমরা দুর্নীতির হাত থেকে বাঁচতে একটি সংস্থাকে বরাদ দেওয়া হয় প্রশ্নপত্র তৈরি করার জন্য। কিন্তু ওই সংস্থা অয়ন শীল এর তা আমরা জানতাম না। আমাদের পুরসভায় নিয়োগে কোনও দুর্নীতি হয়নি। সেটা আমি জোর গলায় বলতে পারি। দুর্নীতিতে আমি নেই। তাই যাতে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ হয়, বাইরে থেকে পরীক্ষা চলে সেই জন্য ব্যবস্থা নিই। বিভিন্নভাবে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওই সংস্থার সঙ্গে তখন যোগাযোগ হয়েছিল। ২০১৬ সালে পরীক্ষা হয়। নিয়োগ হতে হতে ২০১৭ হয়ে যায়। ১৫ জন মনে হয় নিয়োগ হয়েছিল। একজন সরে যান। এই নিয়োগে কোনও প্রশ্নের জায়গাই নেই। প্রত্যেক প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন কেউ কোনও টাকা দিয়েছিলেন কিনা।

আরও পড়ুন: Arup Roy: 'কোনো জোট নয়, একাই লড়বে গণতান্ত্রিক তৃণমূল'-জানালেন অরূপ রায়!

এই বিষয়ে ডায়মন্ড হারবারের সিপিএম নেতা দেবাশীষ ঘোষ বলেন, চোখের সামনে যা দেখছি তা দেখে মনে হচ্ছে তৃণমূল দলটাই দুর্নীতিগ্রস্ত। ডায়মন্ড হারবার পৌরসভায় বেআইনিভাবে নিয়োগ হয়েছে সেই নিয়ে বারবার আমরা আন্দোলন করেছি। ডায়মন্ড হারবার পৌরসভার নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখিনি শাসক দল।তদন্তে একে একে রাঘব বোয়ালের নাম বেরিয়ে আসছে। বিজেপি নেতা সুফল ঘাটু বলেন, পুরসভায় যে বেআইনি নিয়োগ হয়েছে। ৬০-৭০টা পুরসভায় প্রায় ৫ হাজার লোক নিয়োগ হয়েছে, সেটা ইডি আদালতে জানিয়েছে। তাতে ডায়মন্ড হারবারেরও নাম আছে। ২০১৬ সালে ১৬ জনের মতো নিয়োগ হয়েছে, সে নিয়োগে অস্বচ্ছতা থাকলে থাকতেও পারে। নাম যখন এসেছে কিছু তো একটা হয়েছে। খুঁজে দেখা হোক। যদিও এই বিষয়ে ডায়মন্ড হারবার পৌরসভা বর্তমান চেয়ারম্যান প্রণব দাস বলেন, নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ডায়মন্ড হারবার পৌরসভার স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করেছে। ডায়মন্ড হারবার পৌরসভা কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে কোন প্রকার দুর্নীতি হয়নি। যদিও সেই সময়কালে আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না তাই সেই সংক্রান্ত বিষয় আমি সঠিক তথ্য দিতে পারবো না কিন্তু আমি জোর গলায় বলতে পারি ডায়মন্ড হারবার পৌরসভা কোন নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নেই। স্বচ্ছতার সঙ্গে ডায়মন্ড হারবার পৌরসভায় কর্মী নিয়োগ হয়েছে।