শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : বাংলা বিজেপি (BJP) মানেই মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তৃণমূল তথা মমতার বিরোধিতা করা। আর এভাবেই তীব্র আক্রমন করেই বেশ কিছু আসন তারা ছিনিয়ে নিতে পেরেছিল। কিন্তু অংক বলছে পরে ওই থিওরিতে তাঁদের রক্তুক্ষয় হয়েছে। সেই অবস্থায় সামনে বিধানসভা নির্বাচন। এবার বিজেপির নতুন যুগের নতুন মুখ শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।
আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: আগামী ১ নভেম্বর ঠাকুরনগরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী!
সায়েন্স সিটি প্রদর্শনী ময়দানে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয় শমীক ভট্টাচার্যকে। প্রাক্তন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ছাড়াও ছিলেন বিজেপির তাবড় তাবড় নেতারা। রাজ্য বিজেপি সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পরেই ‘গান্ধীগিরি’ শমীক ভট্টাচার্যের। তিনি এ দিন বলেন, ‘যাঁরা বোমা ছোড়েন তাঁদের হাতে কলম ধরাতে চাই।’ স্পষ্ট ইঙ্গিত মুসলিম ভোটের দিকে। যখন শুভেন্দু স্পষ্ট মুসলিম বিরোধী লাইন নিয়েছে, সেই সময় শমীক নিয়েছেন বহুত্ববাদী লাইন।
আরও পড়ুন: Arup Roy: 'কোনো জোট নয়, একাই লড়বে গণতান্ত্রিক তৃণমূল'-জানালেন অরূপ রায়!
তিনি আদি ও নব্য বিজেপি কর্মীদের বার্তা দিতে বলেন, ‘পুরনোদের মনে রাখতে হবে নতুন মানুষ দলে না এলে পার্টি বড় হবে না। নতুনদের মনে রাখতে হবে পুরনো মানুষগুলো পরাজয় নিশ্চিত জেনেও দলের পতাকাটা ধরে রেখেছিলেন। তাঁরা দলটাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন।’ স্বাভাবিক কারণেই প্রশ্ন উঠেছে এবার কি রাজ্যে বিজেপি চরম 'হিন্দুত্ব' থেকে সরে এসে নতুন রাজনৈতিক 'বহুত্ববাদের' দিকে ঝুঁকবে? সুকান্ত, শুভেন্দুর মুসলিম আক্রমনের ঝাঁজ কি কমবে? শমীকের নরম পন্থার কি প্রাধান্য ঘটবে? সময় তার উত্তর দেবে। কিন্তু আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে - রাজ্য বিজেপিতে শমীক গবেষণামূলক এক নতুন রসায়ন আনতে চলেছে।
