মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
রাজ্য

টেট দুর্নীতিতে নাম অনুব্রত কন্যা সহ পাঁচ ঘনিষ্ঠের, হাইকোর্টে হাজিরার নির্দেশ

শেফিল্ড টাইমস ডেস্ক প্রকাশিত:
টেট দুর্নীতিতে নাম অনুব্রত কন্যা সহ পাঁচ ঘনিষ্ঠের, হাইকোর্টে হাজিরার নির্দেশ
শেয়ার করুন:

নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজনীতি থেকে বরাবরই অনুব্রত তার মেয়েকে দূরে সরিয়ে রাখতেন। কিন্তু তাসত্ত্বেও টেট দুর্নীতিতে নাম জড়িয়ে গেল তার মেয়ে সুকন্যার নাম। টেট পাশ না করেই অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকের চাকরি' পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ করলেন  আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। শুধু সুকন্যা মণ্ডলই নন, বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতির পাঁচ আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠর বিরুদ্ধেও এই একই অভিযোগ করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: আগামী ১ নভেম্বর ঠাকুরনগরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী!

 ওই আইনজীবীর অভিযোগ , শিক্ষিকার চাকরির নিয়োগ পাওয়ার পর সুকন্যা মণ্ডল একদিনও বোলপুর কালীকাপুর প্রাথমিক স্কুলে পড়াতে যাননি। হাজিরার জন্য তার বাড়িতে রেজিস্ট্রার খাতা আনা হত। প্রাথমিকের শিক্ষিক পদে চাকরির জন্য অন্যতম শর্ত হচ্ছে টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। কিন্তু সেই পরীক্ষাতেই সুকন্যা মণ্ডল সহ নেতার পাঁচ আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠর বিরুদ্ধেও পাস না করার অভিযোগ উঠছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টের মধ্যে সুকন্যা সহ বাকি অভিযুক্তদের টেট পাসের সংশাপত্র ও নিয়োগের নথি সহ আদালতে হাজিরা দিতে হবে। অন্যথায় কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করবে মহামান্য হাইকোট।

আরও পড়ুন: Arup Roy: 'কোনো জোট নয়, একাই লড়বে গণতান্ত্রিক তৃণমূল'-জানালেন অরূপ রায়!

বৃহস্পতিবার সকালেই বোলপুর থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডল সহ পাঁচ আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ । প্রসঙ্গত কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, বৃহস্পতিবার অনুব্রত কন্যা–সহ তাঁর পাঁচ আত্মীয়কে দুপুর তিনটের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। আর তাঁদের আদালতে হাজির করানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে বীরভূমের পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকে। সেই নির্দেশও দিলেন বিচারপতি। এই নির্দেশ দিতেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্নের মুখে জেলা সভাপতির কন্যা সহ ঘনিষ্ঠ।